

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ ও আশঙ্কা বাড়ছে। মাদুরোর মুক্তি দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ হচ্ছে। নিন্দা জানাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন মিত্রসহ অন্যরা নিন্দা জানিয়েছে।
মাদুরোকে অপহরণের পর শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, একটি রূপান্তর সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন লাতিন আমেরিকার দেশটিকে পরিচালনা করবে। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে নেই যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেদিন ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা যদি মাদক পাচার বন্ধ ও তেল শিল্প উন্মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তাহলে তিনি ফের হামলার নির্দেশ দিতে পারেন।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে স্থানীয় সময় সোমবার মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কের আদালতে তোলা হয়। সেখানে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
তবে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিনেটর চাক শুমার। ডেমোক্র্যাটরা মাদুরোর অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভেনেজুয়েলার সুযোগ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল জায়ান্টরা। ভেনেজুয়েলার তেল পরিবহন নিয়ে পানামা খালে মার্কিন চাপ বাড়ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি ভেনেজুয়েলা সরকারের ‘দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন’ সম্পর্কে মার্কিন যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে একতরফা সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি অর্জন করা যাবে না।
মন্তব্য করুন