

প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার দর বেঁধে দিল সরকার। চলতি মৌসুমে মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। তবে অপরিবর্তিত থাকছে খাসি ও বকরির চামড়ার দাম।
গতকাল রোববার ঈদুল আজহা উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ে চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে চামড়ার এই মূল্যস্তর নির্ধারণের ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ বছর চলতি কোরবানির মৌসুমে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা। আর ঢাকার বাইরে এই দর হবে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। কিন্তু এবার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সারা দেশে লবণযুক্ত খাসি ও বকরির চামড়ার দর গত বছরের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে। ২০২২ সালে প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ায় দাম বেড়েছিল ৭ টাকা ও খাসির চামড়ায় ৩ টাকা।
টিপু মুনশি আরও বলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে চামড়া ভালো অবস্থানে রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য চামড়া থেকে বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আয় অর্জন করা। সে জন্য কোরবানির চামড়া ভালো রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে চামড়া যাতে ভালো থাকে, তার সুপারভিশন করছে। এ বছরও আগের তুলনায় চামড়া নষ্ট কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতিসহ চামড়া খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।