নির্বাচন বাংলাদেশের; ঘুম নেই বিদেশিদের। বিশেষ করে পশ্চিমা কূটনীতিকদের নির্বাচনী দৌড়ঝাঁপে ভীষণ ব্যস্ত রাজধানী ঢাকা। সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ছয় সদস্যের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল ভোট সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছে। জানতে চেষ্টা করছে, এ মুহূর্তে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক, সহিংসতামুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের সহায়ক পরিবেশ রয়েছে কি না। তারা এদেশে একটি ভালো নির্বাচন চায়। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, সংবিধান মেনেই হবে সুষ্ঠু নির্বাচন। সফরের তৃতীয় দিনে গতকাল সোমবার পর্যবেক্ষক দলের বিভিন্ন বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছে ঢাকা ও ব্রাসেলস।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চার দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নাগরিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু এবং ইউএসএইডের এশিয়া ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অঞ্জলি কৌর। হাই-প্রোফাইল এ সফরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে আলোচিত নাম ডোনাল্ড লু থাকায় সফরটির দিকে চোখ সরকার, বিরোধী দল, কূটনীতিকসহ সবার। মার্কিন প্রতিনিধিদলটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে। এ সফরের আগে ওয়াশিংটনে গিয়ে হোমওয়ার্ক করে এসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। তিনি ঢাকায় ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান ও মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক করেছেন। এ ব্যাপারে কোনো পক্ষ মুখ না খুললেও ধারণা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উজরা জেয়ার সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ঢাকা ও ওয়াশিংটন জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তাদের সফরের এজেন্ডায় গুরুত্ব পাবে আগামী নির্বাচন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, শ্রম অধিকার ও রোহিঙ্গা ইস্যু।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উজরা ও লুর সফর মূলত দুই দিনের। আজ সন্ধ্যায় তারা দিল্লি থেকে ঢাকা আসবেন এবং শুক্রবার ভোরে ঢাকা ছাড়বেন। আগামীকাল বুধবার প্রতিনিধিদলটি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে তারা মতবিনিময় করতে পারেন বলে জানা গেছে। এ সফরে তারা নির্বাচন এজেন্ডার আওতায় অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে সরকারের পাশাপাশি রাজনীতিকসহ সংশ্লিষ্টদের মনোভাব জানার চেষ্টা করবেন। মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার এজেন্ডায় শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলামের হত্যার বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়েও জানতে চাইবেন।
এদিকে, এ সফরের পর স্পষ্ট হবে র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা, ভিসা নীতিসহ নির্বাচন ইস্যুতে নানা মার্কিন চাপ কমে দুদেশের সম্পর্কে দূরত্ব কতটা কমলো বা বাড়ল। জুলাইয়ের এই সফরগুলোর ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপও। কারণ, গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড লুর সফরের পর ঢাকা-ওয়াশিংটন দূরত্ব কিছুটা কমেছিল। মার্কিন প্রতিনিধিরা ভারত হয়ে বাংলাদেশ আসছেন বলেও ঢাকা, ওয়াশিংটন ও দিল্লির সম্পর্কের সমীকরণও আলোচনায় রয়েছে। দিল্লি-ওয়াশিংটন শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পরপরই মার্কিন প্রতিনিধিদের ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসার বিষয়টিও বিশেষ বার্তা দেয়। কারণ ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে দিল্লির ভূমিকা বরাবরই ইতিবাচক। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লুর সফরের পরই দুদেশের মধ্যকার সম্পর্কের গতিপ্রকৃতির ধারণা মিলবে।
আগামী ডিসেম্বরে বা জানুয়ারির শুরুতে নির্বাচন হলে হাতে সময় ছয় মাসেরও কম। তিন মাস আগে নির্বাচন কমিশনকে তপশিল ঘোষণা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রস্তুতির সময়ও খুব বেশি নেই। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানে অনড় সরকার। কিন্তু বিএনপিসহ সমমনারা শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। এমন বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক চায়ের কাপে ঝড় তুলেছে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাশিয়া, চীন ও ইরান। অন্যদিকে, পশ্চিমাসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতের তাগিদ দিয়ে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইইউ। তবে অনেক দেশই এতে রাজি না হয়ে জানিয়েছে, তারা এ ইস্যুতে আপাতত বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় গুরুত্ব দেবে এবং নির্বাচনী ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গভীর নজর রাখবে।
জানা গেছে, উজরা জেয়ার সফরের পর এ মাসেই মার্কিন অর্থনৈতিকবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জোসে ডব্লিউ ফার্নান্দেজ ও ইইউর মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোরের বাংলাদেশে আসার কথা। পশ্চিমা হাই-প্রোফাইল সফরগুলো ঘিরে তাই জুলাইয়ে জমে উঠেছে নির্বাচনী কূটনীতি। রাজনীতির ময়দানেও শক্ত অবস্থান জানান দিতে সক্রিয় রয়েছে বড় দুই দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
দিনভর ইইউ দলের সিরিজ বৈঠক : ইইউর গণতন্ত্র ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা হিল্লেরি রিকার্ডোর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধানী মিশন ১৬ দিনের সফরে গত শনিবার ঢাকায় আসে। গতকাল সোমবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে তৃতীয় দিনের সিরিজ আলোচনা শুরু করেন তারা। তাদের সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি এবং উপ-রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ড স্পেনিয়ের।
এদিকে ইইউ মিশন সচিবালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াটলি এবং উপ-রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ড স্পেনিয়ের। বৈঠকের পর চার্লস হোয়াটলি সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ইইউর আগ্রহ রয়েছে। তারা অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান। ওবায়দুল কাদের আগামী নির্বাচনে ইইউ পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, সংবিধান মেনেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এ নিয়ে ইইউর উদ্বেগের কারণ নেই। তবে পর্যবেক্ষকরা যেন ভিয়েনা কনভেনশনের নীতিমালা মেনে চলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকার ও সংলাপ নিয়ে আলোচনা হয়নি। ইইউ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। উদ্বেগ নিয়ে কিছু বলেনি। সরকারের অবস্থান ইইউকে জানানো হয়েছে।
ইইউর প্রতিনিধিদলটি গতকাল সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করে। বৈঠক শেষে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইইউ প্রতিনিধিরা। তারা নির্বাচনের আগে সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে চান। আমরা বলেছি, বিষয়টি আমাদের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও দেখে। তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যাওয়ার ব্যাপারে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। তবে নির্বাচনের সঙ্গে এ মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করে ইইউ দল। বৈঠকের পর কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কা আছে কি না, তা কমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো। তারা মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও জানতে চেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইইউ পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে পারে।
বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ইইউর প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পুলিশের ভূমিকা কী হবে, তা জানতে চান তারা। এ ছাড়া নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী দলগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে কি না, তা নিয়েও আগ্রহ দেখিয়েছে প্রতিনিধিদল। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) মনজুর রহমান বলেন, প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। তারা যে আসা-যাওয়া করবে এ-সংক্রান্ত তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, না, এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।
তবে ওই বৈঠকে ছিলেন এমন একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইইউ প্রতিনিধিদল মূলত নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নিয়েই কথা বলেছে। ডিআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, নির্বাচনের সময়ে পুলিশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বলে ইইউ প্রতিনিধিদলকে জানানা হয়েছে। আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হয় বলেও জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সময়ের উদাহরণ টেনে বিরোধী দলগুলো যে স্বাধীনভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করছে, সে বিষয়েও অবহিত করা হয়।
বিকেলে ইইউ দূতের বাসভবনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপকমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যবেক্ষক দল বৈঠক করে। এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক কূটনীতিক মোহাম্মদ জমির এবং আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১৫ জুলাই ইইউ প্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন। নির্বাচন ইস্যুতে তাদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের কাছে জানতে চাইবেন। ১৭ জুলাই তাদের নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।
২৩ জুলাই পর্যন্ত ইইউ দল সরকারের প্রতিনিধি, নির্বাচন কমিশন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। আজ মঙ্গলবার তারা নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।
অগ্রগামী এই প্রতিনিধিদলটির ওপর নির্ভর করছে ইইউ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না। সফর শেষে ফিরে গিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেলকে এই মিশন যে প্রতিবেদন দেবে, আগামী সেপ্টেম্বরে তার ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ইইউ।
মন্তব্য করুন