কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৪, ০৫:৩৪ পিএম
আপডেট : ১৩ মে ২০২৪, ০৬:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়াল

চার মাস পর আবারও খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
চার মাস পর আবারও খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ছবি : সংগৃহীত

মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরার সব চেষ্টার মধ্যেও গত এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। চার মাস পর আবারও খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে উঠল। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি গত মাসে কিছুটা কমেছে। সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের নিচে রয়েছে।

সোমবার (১৩ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিসিএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২২ শতাংশে। এর আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। তার আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ চার মাস পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি আবার দশ শতাংশ ছাড়াল।

তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি গত মার্চের তুলনায় এপ্রিলে কমেছে। এই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ হয়েছে, আগের মাসে যা ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

গত অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ঘরে আনার জন্য ক্রমাগত সুদহার বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই উদ্যোগ কোনো কাজে আসছে না।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাসিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষের কষ্ট বেশি হয়েছে গত মাসে। গ্রামে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯২, যেখানে শহরাঞ্চলের গড় মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪৬। গ্রাম ও শহর দুই অঞ্চলেই খাদ্যের মূল্যস্ফীতি আবার ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে অর্থনীতিবিদরা বলেন, মূল্যস্ফীতি এক ধরনের কর, যা ধনী-গরিব-নির্বিশেষে সবার চাপ বাড়ায়। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতি বেশি বেড়ে গেলে গরিব ও মধ্যবিত্তের সংসার চালাতে ভোগান্তি বাড়ে। এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম বেশ চড়া। তার সঙ্গে চিকিৎসা, পরিবহনসহ খাদ্যবহির্ভূত খাতেও খরচ বেড়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রীর

সোমবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কারা, দেখুন ৫ ভবিষ্যৎদ্বাণী

মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ গেল ৩ বন্ধুর

সৌদি আরবে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

ফুলবাড়ীয়ায় ৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন

সালিশি বৈঠকে মারধরে জাপা নেতার মৃত্যু

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

ভারতে পাচার ৫০ বাংলাদেশিকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

জুলাইয়ের চেতনা : ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

১০

রাজকীয় সংবর্ধনায় বীরদের বরণ করল কেপ ভার্দে

১১

হাসপাতালে ‘ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই’ রোগীর মৃত্যু, স্বজনদের উত্তেজনা

১২

যুবদল নেতার ক্লাব গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

১৩

খামেনির জানাজায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে যে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

১৪

আবারও হচ্ছে দুই বন্ধুর দেখা

১৫

মুকসুদপুরের ২৭২টি গ্রামের প্রতিটি পরিবারে গাছের চারা বিতরণ করা হবে : সেলিমুজ্জামান

১৬

বিদেশে ১ কোটি কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুর

১৭

শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে শিক্ষিকার ‘বডি ম্যাসাজ’, প্রধান শিক্ষকসহ ৩ জনকে শোকজ

১৮

এক রাতেই তারকা কাবরালের প্রেমিকা, কে এই সুন্দরী?

১৯

স্বপ্ন’র লোগো নিয়ে ব্যতিক্রমী ফটোগ্রাফি, সম্মাননা পেলেন চুয়েট শিক্ষার্থী

২০
X