রাঙামাটিতে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও বন্যায় ৩০৮টি ঘর, চারটি সেতু-কালভার্ট এবং ২০টি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১১৫টি স্থানে দেখা দিয়েছে ছোট-বড় ভাঙন। জেলায় ৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১২ শতাধিক মানুষ।
এ ছাড়াও বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি ও বরকল উপজেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে দুটি বাজার। তা ছাড়া আটটি সড়ক তলিয়ে গিয়ে বন্ধ রয়েছে যান চলাচল।
এদিকে সোমবার পাহাড়ি ঢলে নৌকা ডুবে সুমেন চাকমা (১৯) নামে একজন কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে শহরের সিভিল সার্জন বাংলোর পাহাড় ধসে চারটি পরিবার আটকা পড়লে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। তারাসহ এলাকার প্রায় ১০টি পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও শহরের মানিকছড়ি এলাকায় সড়কের ওপর ধসে পড়েছে পাহাড়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) রনেল চাকমা বলেন, কর্ণফুলি নদীতে তীব্র সোতের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ খান জানান, রাঙামাটির বরকলে পানিতে পড়ে একজন নিখোঁজ হয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিজ কাজ করছে। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন