চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৪, ০৭:১৩ পিএম
আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৪, ১০:৪৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফ্লাইওভারের গার্ডারধস মামলায় আট আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড 

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের গার্ডারধস। ছবি : কালবেলা
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের গার্ডারধস। ছবি : কালবেলা

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের গার্ডারধসে ১৩ জনের প্রাণহানির মামলায় ৮ আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দায়িত্ব পালনে গাফিলতির মাধ্যমে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের আট কর্মকর্তাকে এ সাজা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এই রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনজুরুল ইসলাম, প্রকল্প প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, আমিনুর রহমান, আব্দুল হাই, মো. মোশাররফ হোসেন রিয়াজ, মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী শাহজান আলী ও রফিকুল ইসলাম।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ জানিয়েছেন, দণ্ডবিধির ৩৩৪(এ) ধারায় আট আসামির প্রত্যেককে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা করে জরিমানা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। জরিমানার টাকা আদায় করে ফ্লাইওভার ধসে হতাহতের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। এ ছাড়া একই রায়ে আদালত দণ্ড বিধির ৩৩৮ ধারায় প্রত্যেক আসামিকে আরও দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। উভয় সাজা একটির পর আরেকটি কার্যকর হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের ৩টি গার্ডার ভেঙে ১৩ জন নিহত হয়। কর্তব্যে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার ভেঙে প্রাণহানির ঘটনায় প্রকল্প পরিচালক চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর চান্দগাঁও থানার তৎকালীন উপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর আদালতে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৮ জুন তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এসএম মজিবুর রহমানের আদালত ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২ জন। আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ৭ জন।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে চার বছরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ২৮২ জনের

সেমিকন্ডাক্টর ও বিয়ার সামিট ২০২৬ / ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী  

ছয় মাসে ১,৩৮৪ কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করল মেটলাইফ

আরশোলাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার

ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবনে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলন করে হয়েছিলেন নেতা, সেই একই আন্দোলনে হলো পতন

কবে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান? জানা গেল সূচি

রেজিস্ট্রি অফিসে অস্ত্র হাতে মহড়া, দলিল লেখক গ্রেপ্তার

এনপলি গ্রুপের বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত

গণতন্ত্রে জবাবদিহি অনির্দিষ্টকাল এড়িয়ে যাওয়া যায় না: শশী থারুর

১০

বিশ্বকাপের পর নীরব মেসি, তার শেষ ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন পারেদেস

১১

দেশের ৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ

১২

প্রেমিকের মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন অথৈ

১৩

অপূর্ণ প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব খান

১৪

গোপালগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ 

১৫

বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, থাকবেন স্পিকারের বাসভবনে

১৬

মালদ্বীপ পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

১৭

৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী 

১৮

বাকি ২ দাবিও মেনে নেওয়ার আশ্বাস সরকারের, আন্দোলন স্থগিতের আভাস

১৯

আশুলিয়ায় ফিল্মি স্টাইলে পুলিশ-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, জিম্মি উদ্ধার

২০
X