মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৮:২৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ঘাটে পন্টুন না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কাশিরাবাদ লঞ্চঘাটে বেঁধে রাখা হয়েছে নৌকা। ছবি : কালবেলা
কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কাশিরাবাদ লঞ্চঘাটে বেঁধে রাখা হয়েছে নৌকা। ছবি : কালবেলা

খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কাশিরাবাদ লঞ্চঘাটে পন্টুন না থাকায় বছরের পর বছর যাত্রীদের কাদাপানিতে নেমে লঞ্চে উঠতে হচ্ছে। সেবা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও যাত্রীদের নিয়মিত ইজারার টাকা পরিশোধ করে লঞ্চে যাতায়াত করতে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাশিরাবাদ লঞ্চঘাট থেকে নিয়মিত খুলনা থেকে লঞ্চ আসা-যাওয়া করে। যোগাযোগের তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখানে যাতায়াতের শেষ ভরসা লঞ্চ কিংবা ট্রলার। কিন্তু প্রতিদিন শত শত যাত্রীর লঞ্চে উঠতে হয় প্রচুর কাদা আর হাঁটুসমান পানিতে নেমে।

জানা গেছে, উপজেলার কাশিরবাদ লঞ্চঘাটটি চলতি বছর উপজেলা প্রশাসন থেকে রাজস্ব দিয়ে ইজারা গ্রহণ করেন মঠবাড়ি গ্রামের কোহিনুর মালি। তিনি বলেন, এত টাকা রাজস্ব দিয়ে ঘাট কিনে এখন বিপদে আছি। কাদাপানিতে যাত্রীরা লঞ্চে উঠতে চায় না। তারপরও মালামাল উঠানো-নামানোর ক্ষেত্রে রয়েছে আরও সমস্যা।

সুতী বাজারের ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, শুধু মহারাজপুর ইউনিয়নের লোকজন এ ঘাট দিয়ে চলাচল করে তা নয়, পাশের কয়রা সদর ইউনিয়নের লোকজনও যাতায়াত করে থাকে। অনেক সময় অসুস্থ রোগী লঞ্চে উঠতে কাদাপানিতে খুব কষ্ট হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মোল্যা বলেন, কাশিরাবাদ লঞ্চ ঘাটে পন্টুন না থাকায় কখনো হাঁটুসমান আবার কখনো কোমর সমান পানিতে নেমে লঞ্চ কিংবা ট্রলারে উঠতে হয় নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধদের। জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কাশিরাবাদ লঞ্চঘাটে একটি পন্টুনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

লঞ্চযাত্রী রহিম সরদার বলেন, সরকারিভাবে লঞ্চঘাট করা হলেও পন্টুন না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। ইজারা দেওয়ার আগেও হাঁটুসমান পানিতে নেমে আর কাদায় লঞ্চে উঠতে হতো, এখনো একই অবস্থা। দুর্ভোগ রয়েই গেছে। ঘাট নির্মাণ করে তেমন কোনো লাভ হয়নি। তাই একটি পন্টুন হলে যাত্রীরা এ দুর্ভোগ থেকে একটু হলেও রেহাই পেত।

কয়রা সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সরদার লুৎফর রহমান বলেন, এই লঞ্চঘাটের পাশে রয়েছে বন বিভাগের ফরেস্ট স্টেশন, এ ছাড়া কয়রা সদর খুবই নিকটবর্তী হওয়ায় এখান থেকে প্রতিদিন কয়েকশ যাত্রী লঞ্চে যাতায়াত করেন। পন্টুন না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আধুনিক যুগে জরুরি ভিত্তিতে এই লঞ্চঘাটে একটি পন্টুনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে ‘ডেভিড ইমিনের’ ফোন, দুদিন পরেই প্রতিষ্ঠানে হামলা

সেমিফাইনালের আগে মেসিকে ঘিরে উদ্বেগ

গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ককে ‘শোকজ’

ফেসবুকে প্রশাসনের সমালোচনা করায় জকসু সদস্য জাহিদকে প্রক্টর অফিসে তলব

প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

বরিশালে সাংগঠনিক সভায় একাধিক নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পরাজিত শক্তির আস্ফালন জুলাইয়ের ঐক্যকে আরও দৃঢ় করবে: মঞ্জু

দোকানে আটকে রেখে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

স্পেন নাকি ফ্রান্স সেমিফাইনালে জিতবে কে, আগাম জানালো এআই

ব্রাজিল ও ইতালির ইতিহাস বলছে, এবার বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা

১০

শেখ হাসিনা ফিরলে জেলে যেতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১১

ব্রাজিলের খেলা আবার কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?

১২

নেশার টাকার জন্য নির্যাতন, মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা

১৩

সাবস্টেশনে পানি ওঠায় কুয়েত মৈত্রী ও ফজিলাতুন্নেছা হলে বিদ্যুৎ সংযোগে বিলম্ব

১৪

উজানের ঢলে ফুলছে পদ্মা, রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ পানি

১৫

বান্দরবানে কমছে বন্যার পানি

১৬

ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা / ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে স্থায়ী সমাধানের দাবি ঢাবি ছাত্রদলের

১৭

বিশ্বকাপ জয়ের সেরা দাবিদারের নাম ঘোষণা করলেন গোল্ডেন বল জয়ী কিংবদন্তি

১৮

টানা বর্ষণে হাতিয়ায় কৃষি খাতে ২০ কোটি টাকার লোকসানের আশঙ্কা

১৯

চাচাতো ভাইয়ের হামলায় প্রাণ গেল যুবকের

২০
X