মেঘনা নদীর নির্মাণাধীণ তীররক্ষা বাঁধ সময়মতো নির্মাণ না হওয়ায় সারা বছর অল্পতেই জোয়ারের পানিতে ডুবে যাচ্ছে কমলনগর ও রামগতির উপকূল। দ্রুত বাঁধ নির্মাণ হলে জোয়ারের পানি থেকে রক্ষা পেত বলে দাবি উপকূলের বাসিন্দাদের। গত কয়দিন থেকে পূর্ণিমার প্রভাবে মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে পানিতে ডুবেছে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকা।
গত বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলের দিকে জোয়ারের পানি উপকূলে ঢুকতে শুরু করে। এতে জেলার রামগতি এবং কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদী সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। জোয়ারের পানিতে রাস্তাঘাট, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, নিচু ঘরের ভিটি তলিয়ে যায়। রাত ৮টার পর পানি নামতে শুরু করে।
স্থানীয়রা জানায়, টানা তিনদিন উপকূল প্লাবিত হওয়ায় দুর্ভোগ এবং ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন তারা। ক্ষেতের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। হাঁস-মুরগি এবং গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। গৃহস্থালির রান্নার কাজেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, মেঘনা নদীর নির্মাণাধীণ তীররক্ষা বাঁধ সময়মতো নির্মাণ না হওয়ায় প্রতি বছর জোয়ারের পানিতে ডুবতে হচ্ছে। দ্রুত বাঁধ নির্মাণ হলে জোয়ারের পানি থেকে রক্ষা পেত উপকূলের বাসিন্দারা।
আবদুর রহমান বলেন, জোয়ারের তোড়ে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রতি বছরের আগষ্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে লোকালয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ বছর অসময়ে (আগাম )জোয়ারের পানিতে উপকূল প্লাবিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার মো. ফারুক হোসেন কালবেলাকে বলেন, বাঁধ ভেঙে সৃষ্টি হওয়া খালের মুখ সংস্কারের কাজ খুব শিগগিরই করা হবে।
ইউএনও সূচিত্র রঞ্জন দাস কালবেলাকে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে জোয়ারে সূষ্ট হওয়া খাল নিয়ে যে সমস্যা তা সমাধান করা হবে।
মন্তব্য করুন