কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘মহাকবির জন্য বাংলা সাহিত্যকে উৎকৃষ্ট পর্যায়ে দেখতে পেয়েছি’

মধুমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. শেখ আব্দুর রশিদ। ছবি : কালবেলা
মধুমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. শেখ আব্দুর রশিদ। ছবি : কালবেলা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদনের জন্য বাংলা সাহিত্যকে একটি উৎকৃষ্ট পর্যায় দেখতে পেয়েছি। তিনি সাহিত্যে প্রথম হিসেবে অনেক কিছুই রচনা করেছেন। তার জন্য সাগরদাঁড়ি, কেশবপুর তথা যশোরবাসী ধন্য, এমনকি বাংলাদেশও ধন্য।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মধুমেলার সমাপনী দিনে মধুমঞ্চে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সাগরদাঁড়িতে মাইকেল মধুসূদন শৈশব কাটিয়েছেন। আমি সাগরদাঁড়িতে এসে সমৃদ্ধ হয়েছি। এখানে এসে হাজার হাজার মানুষের প্রাণের আবেগ দেখতে পেয়েছি।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন-বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, যশোর জেলার পুলিশ সুপার জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ, যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, নওয়াপাড়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক কাজী শওকত শাহী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নুসরাত তাবাসসুম, রাশেদ খান, আকাশ হাসান, সাইদ সান ও সম্রাট হোসেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, যশোর জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম। মহাকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাগরদাঁড়িতে গত ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা বৃহস্পতিবার রাতে শেষ হয়।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাগরদাঁড়ি গ্রামের জমিদার দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জমিদার রাজনারায়ণ দত্ত আর মা জাহ্নবী দেবী। ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন মহাকবি মধুসূদন দত্ত মারা যান।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অর্থকষ্টে শহীদ জুলাইযোদ্ধা সাংবাদিক মেহেদীর মা-বাবা

ফ্যানাটিক ফেস্ট-নিউইয়র্কে বিরল এক তারার মেলা  / মেসি বললেন ইয়ামালের সাফল্য চাই, তবে ফাইনালে তাকে থামাতে চেষ্টা থাকবে সর্বোচ্চ

জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের নেত্রকোনা শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

এই ১৪টি কারণ আপনার ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে

সৌদির মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি

পদ্মার ভাঙনে বিলীন শত শত বিঘা ফসলি জমি

কুয়েতের তেল স্থাপনায় বারবার হামলা ইরানের, আহত একাধিক

গাজায় জানাজার নামাজে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা, নিহত ১৪

হৃদয়ের ‘লাপাত্তা’য় নুসরাত ফারিয়া

১০

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

১১

অবশেষে সেই ‘শিশু’র ছবি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মেসি

১২

তীব্র নদীভাঙনে দুই সপ্তাহে বিলীন ২৫ বসতবাড়ি

১৩

রাত ১টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৪

প্রথমবারের মতো বেসরকারি স্পেস রকেট উৎক্ষেপণ করল ভারত

১৫

থাইল্যান্ডে ১৫ কোটি বছর আগের নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের সন্ধান 

১৬

বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার, বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ

১৭

পাট ক্ষেতে ব্যবসায়ীর মরদেহ, শরীরে মাখানো রাসায়নিক কীটনাশক

১৮

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান থেকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের

১৯

এক্স-রে’তে ধরা পড়ল পেটের ভেতরের ইয়াবা, গ্রেপ্তার মাদক কারবারি

২০
X