দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরে হিম হাওয়ায় কনকনে শীত অনুভূত

দিনাজপুরে হিম হাওয়া ও ঘনকুয়াশায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। ছবি : কালবেলা
দিনাজপুরে হিম হাওয়া ও ঘনকুয়াশায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। ছবি : কালবেলা

দিনাজপুরে দ্বিতীয় দিনের মতো হিম হাওয়া ও ঘনকুয়াশায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। কৃষকরা বীজতলা বাঁচাতে ইরি-বোরো বীজতলায় ছাই ছিটিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন। রাস্তায় মানুষজন কম চলাচল করতে দেখা গেছে।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিনাজপুরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল শনিবার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত দুদিন বাতাসের আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয়েছে ৯৫ শতাংশ। দিনের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে দিনাজপুরে হিমেল বাতাস বইছে। গতকাল সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। কনকনে শীতের কারণে মানুষজন বাড়ি থেকে কম বের হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছেন না পরিবারের সদস্যরা।

প্রচণ্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে দিনমজুর, রিকশাচালক, ইজিবাইক চালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন কাজে বের হতে পারছেন না। এতে তাদের দৈনন্দিন আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শেখপুরা এলাকার কফিল উদ্দিন বলেন, আজকে সূর্যের মুখ কিছু সময় দেখা গেলেও, শুধু ঠান্ডা বাতাস। এই শীতে বাড়ি থেকে বের হওয়াই মুশকিল। সারাদিন যে বাতাস বইছে, তাতে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিভিন্ন যানবাহন চালাতে সমস্যা হচ্ছে। ইজিবাইক চালক মকবুল হোসেন বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে একটু আগে আমি লক্ষ্মীতলা বাজার থেকে দিনাজপুরে ঢোকার পথে কাউগার মোড় এলাকায় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছি। সামনে একটি ট্রাক দাঁড়ানো ছিল, ঘনকুয়াশার কারণে কিছুই দেখতে পারিনি। একবারে ট্রাকের পেছনে গিয়ে ব্রেক করেছি। আরেকটু হলে ধাক্কা লেগে যেত।

ট্রাকচালক মশিউর রহমান বলেন, দুদিন ধরে দিনাজপুরে তীব্র শীত গায়ে লাগছে। এরই মধ্যে কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার শুরু হয়েছে, এতে গাড়ি চালাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। গাড়ির সামনের কয়েক হাত দূরে ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে শীতের তীব্রতায় বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা। শহরের গোর-এ শহীদ ময়দানের হকার্স মার্কেটের পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, দুদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গত শনিবার এই বাজারে ক্রেতার ভিড় কম ছিল। রোববার সকাল থেকে ক্রেতার খুবই ভিড়।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন কালবেলাকে বলেন, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে জলীয় বাষ্প বা কুয়াশার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সূর্যের আলোর প্রখরতা বা দাপট অনেকটাই কম থাকবে। আগামী দু-তিন দিন দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে। বৃষ্টির তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। ডিসেম্বরের শেষের দিকে কিছু স্থানে শৈত্যপ্রবাহ বা শৈত্যপ্রবাহের মতো অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দৌড়ে এগিয়ে কারা?

বাস খাদে পড়ে নিহত ৪

নতুন করে সংঘাত, নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলল ভারত

ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক: শি জিনপিং

সব রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬ বিশ্বকাপ! ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম ঘটতে যাচ্ছে যা কিছু

আজ বেস্ট ফ্রেন্ড দিবস

তার চুরির সময় বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের

উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছেছেন শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন কিম জং উন ও তার স্ত্রী

কেন ঢাক-ঢোল বাজিয়ে শতবর্ষী বাবাকে দাফনের চেষ্টা ছেলের

বেতন বাড়ল মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

১০

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এমপির মামলার আবেদন খারিজ

১১

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার

১২

ভুট্টার দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষিরা

১৩

মবতন্ত্র রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: যুবদল সভাপতি

১৪

পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

১৫

বন্ধুদের ঈদে জমানো টাকায় আর্জেন্টিনার পতাকায় সেজেছে লঞ্চঘাট

১৬

যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১৭

অবশেষে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ

১৮

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১৯

সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

২০
X