শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের একটি চিত্র। ছবি : কালবেলা
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের একটি চিত্র। ছবি : কালবেলা

কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদ-নদীতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। কাঁকড়া আহরণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় গহিন সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে ফিরতে শুরু করেছে জেলেরা।

তবে এ সময় মাছ ধরার অনুমতি অব্যাহত থাকবে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।

বুড়িগোয়ালিনী বন বিভাগের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. জিয়াউর রহমান জানান, সুন্দরবনের নদ-নদীতে কাঁকড়া প্রজনন বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুই মাসব্যপী কাঁকড়া আহরণ বন্ধ থাকবে। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদ-নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। সাগর হতে ঝাঁকে ঝাঁকে কাঁকড়া নদীতে উঠে আসে এবং ডিম পাড়ে। কাঁকড়া প্রজনন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের জলভাগে ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জের চুনকুড়ি নদীর তীরে লোকালয়ে ফিরে আসা অসংখ্য কাঁকড়া ধরা নৌকা দেখা যায়।

কাঁকড়া ধরা জেলে হরিনগর গ্রামের বাসিন্দা নূর হোসেন জানান, বনদস্যুদের ভয়ে এবার খুব বেশি কাঁকড়া ধরতে পারেননি তারা। তাই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সংসার চালানোর মতো সঞ্চয় তার কাছে নেই। মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চলতে হবে। এ সময় সরকারি সহায়তার দাবি জানান তিনি।

শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২২ হাজার ২২০ জন। এর প্রায় অর্ধেকই কাঁকড়া ধরা জেলে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. ফজলুল হক জানান, কাঁকড়া বৈদেশিক মুদ্রামানের অন্যতম হাতিয়ার। কাঁকড়া প্রজনন বৃদ্ধি করার জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলেদের প্রজননের এই সময়ে কাঁকড়া আহরণ না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে কাঁকড়া আহরণের সব পাস পারমিট বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে, এ সময় মাছ ধরার অনুমতি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১০

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১১

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১২

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

১৩

ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

১৪

নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান

১৫

অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে বিশ্বকাপে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

১৬

ছাত্রলীগ নেতা ডেবিট আটক

১৭

ভারতের পুশইন নিয়ে ছাত্রদল নেতা আবিদের স্ট্যাটাস ভাইরাল

১৮

উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আ.লীগের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

১৯

বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় মেসি

২০
X