কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ১১:৪৩ এএম
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঘূর্ণিঝড়ের নাম শুনলেই আতঙ্কে থাকে কলাপাড়ার মানুষ

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপকূলীয় এলাকা। ছবি : কালবেলা
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপকূলীয় এলাকা। ছবি : কালবেলা

পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের নাম শুনলেই বেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্কে থাকে কলাপাড়া উপজেলার মানুষ। উপকূলীয় এলাকার এসব মানুষ আকাশে মেঘ দেখলেই যেন আর শক্তি পায় না। হতাশা আর আতঙ্ক বিরাজ করে তাদের চোখে মুখে। এ এলাকায় শক্ত কোনো বেড়িবাঁধ না থাকায় এমন আতঙ্ক কাজ করে বলে জানায় স্থানীয়রা।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় রাত থেকে বৃষ্টি ও বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। পাশাপাশি উত্তাল হতে শুরু করেছে সমুদ্রসৈকত। সিপিপি তারা সতর্কবার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে ফলে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গইয়াতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. আরিফ বলেন, ‘যখনি ঘূর্ণিঝড়ের নাম কয় টেলিভিশনে তখনি মনডার মধ্যে ছটফট করে ওঠে। সবসময় ডর করে। রাইতেই ঘুম হারাম হয়ে যায়। পোলাপান নিয়া থাকি উজাগার (সজাগ)। একটু শক্ত পোক্ত বেড়িবাঁধ নেই মোগো এলাকায়। বড় কোনো ঝড় আইলে ভাসাইয়া নিয়া যায় মোগো বাড়িঘর।’

জানা গেছে, বিগত দিনে উপকূলীয় অঞ্চলে বয়ে গেছে অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এই দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এলাকার বেড়িবাঁধ। ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তেমন সংস্কারকাজ হয়নি। ২০০৭ সালেল বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তখনকার সময় মোটামুটিভাবে বেড়িবাঁধ থাকলেও ইয়াসে তছনছ করে দিয়েছিল বাকিটা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রসাশন মাঝে মাঝে কিছু কাজ করলেও তা অপ্রতুল।

স্থানীয়রা দাবি, ঝড় জলোচ্ছ্বাসে নির্বিঘ্নে রাত কটাতে পারে সেই জন্য বেড়িবাঁধ শক্ত করে যেন বাঁধ দেওয়া হয়।

উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। এবার হামুন ঘূর্ণিঝড়ে কত ক্ষতি করে আল্লাহ জানে। আমরা শক্ত বেড়িবাঁধ মেরামত চাই। যেনতেন কোনো কাজ চাই না।

মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুরের বাসিন্দা মো. ইমরান বলেন, বন্যার কথা শুনলে মনটা খারাপ হয়ে পড়ে। জোয়ার হলেও ভাসি আর বন্যা হলে তলিয়ে যায়। আমাদের প্রাণের চাওয়া যেন বেড়িবাঁধ মেরামত করে দেওয়া হয়।

মহিপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ফজলু গাজী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে তাণ্ডব চালায় এ এলাকায়। ফলে বেড়িবাঁধ তছনছ হয়ে পড়ে। এ এলাকার প্রায় ২ কিমি বেড়িবাঁধ ধ্বংস হয়ে যায়। কিছুটা কাজ হয়েছে বাকি কাজগুলো করার জন্য আমরা পাউবোর কাছে আবেদন দিয়েছি। দ্রুতই সেই কাজ শুরু হবে আশা করছি।

পাউবোর চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলিদ বলেন, এ এলাকার বেড়িবাঁধ মেরামত করার কাজ প্রতিবছর করছি। বাকি যা আছে তাও দ্রুত শুরু করব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ঘূর্ণিঝড় হামুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবদল নেতার

সালমান শাহ হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

৫ কোটি টাকার সড়ক কাজে ধীরগতি, যানজটে নাকাল মানুষ

মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধ ও যানজট নিরসন হাইওয়ে পুলিশের অগ্রাধিকার

প্রিমিয়াম স্বাদের নতুন দুই আইসক্রিম বাজারে আনল পোলার

৫০তম বিসিএস / লিখিত পরীক্ষার ছয় হাজার ১৬৫ জন উত্তীর্ণ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের সঙ্গে কমেছে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম

বিশ্বকাপ শেষ, ইউরো-কোপা আমেরিকা কবে কখন?

ভারত সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ককরোচ জনতা পার্টি

কমনওয়েলথ গেমস উপলক্ষে ‘গ্লাসগো’ এখন উৎসবের নগরী

১০

পদ্মা ব্যাংকের ১৪১ পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

১১

গিফটি ফার্মা কাপ ২০২৬ / এক মঞ্চে দেশের ১২টি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি 

১২

‘গ্রামে চিকিৎসার অভাবে আর কোনো প্রাণ ঝরবে না’

১৩

রাস্তার ইট চুরির মামলায় কারাগারে ৪ জন

১৪

বিশ্বকাপে ‘পাতানো ম্যাচ’ নিয়ে ফিফার প্রতিবেদন প্রকাশ

১৫

ফিলিস্তিনি বন্দি রাখা কারাগারের চারপাশে কুমিরের পরিখা খনন শুরু করেছে ইসরায়েল

১৬

৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

১৭

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

১৮

ইকনকে লাখ টাকা দিল কৃষি ব্যাংক, সঙ্গে মাসব্যাপী ছুটি

১৯

১৮ হাজার মাখলুকাত বলা কি সঠিক? জানালেন ইসলামি স্কলার

২০
X