কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিষধর সাপ

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা বিষাক্ত বেলচেরি সাপ। ছবি : কালবেলা
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা বিষাক্ত বেলচেরি সাপ। ছবি : কালবেলা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বেলচেরি নামের বিষধর একটি সাপকে উদ্ধার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টায় জিরোপয়েন্ট সমুদ্রসৈকত থেকে ওই সাপ উদ্ধার করে বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত করা হয়।

এনিমেল লাভার আফ পটুয়াখালীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এইচ এম সামিম বলেন, অনেকে ইনল্যান্ড তাইপানকে পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ হিসেবে ধারণা করলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ হলো বেলচেরি। প্রকৃতপক্ষে এটি ইনল্যান্ড তাইপানের চেয়েও প্রায় ১০০ গুণ বেশি বিষাক্ত।

সমুদ্রে বসবাসকারী এ সাপটি ০.৫ মিটার থেকে ১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর মাথা শরীর থেকে ছোট এবং এর পেছনে মাছের মতো লেজ রয়েছে। এ সাপটি একবার শ্বাস নিয়ে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পানির নিচে ঘুরে বেড়াতে বা ঘুমাতে পারে।

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত এ সাপটি খুবই ভদ্র স্বভাবের। এটি সাধারণত কাউকে কামড়ায় না। তবে বার বার একে বিরক্ত করলে এটি কামড় দিতে পারে। এ সাপটি নিয়ে বেশি ভয়ের কারণও নেই। কারণ এটি কাউকে কামড়ালেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিষ ঢোকায় না। তবে কারও ভাগ্য খারাপ হলে এর বিষাক্ত ছোবলে ১৫ মিনিটের কম সময়েই তার মৃত্যু ঘটতে পারে। মাত্র কয়েক মিলিগ্রাম বেলচেরির বিষ ১০০০ এর বেশি লোক বা ২৫ লাখ ইঁদুরকে মারার জন্য যথেষ্ট।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের এস আই ইদ্রিস বলেন, রাতে বক্সে ডিউটি চলাকালে এক পর্যটক সৈকতে হাঁটতে গিয়ে প্রথমে ওই সাপটি দেখতে পায়। একবার সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হলেও সে আবার ভেসে আসে। দ্বিতীয়বার দুজন পর্যটক সৈকতে হাঁটার সময় সাপটিকে দেখতে পেয়ে অবহিত করেন। পরে সাপটি উদ্ধার করে আবারও বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পুলিশ পরিদর্শক আবু হাসনাইন পারভেজ বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে বিভিন্ন সময় সমুদ্রের বিষধর সাপের আনাগোনা দেখা যায়। এ ব্যাপারে পর্যটকদের মাঝে সচেতনতা ছড়ানোর পাশাপাশি সাপসহ উপকূলের বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করছি। পর্যটকদের সুবিধার্থে কুয়াকাটা এন্টি বেনাম রাখা খুবই জরুরি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মক্কা-মদিনায় ইতিকাফের জন্য মানতে হবে নতুন নিয়ম

আগুনে পুড়ে ছাই ৭ দোকান

মারা গেছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এনবিআরের সংস্কার নিয়ে যা জানা গেল

ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুরের মৃত্যুদণ্ড

অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ শিশু তামিমের

নির্বাচন উপলক্ষে তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা

চানখাঁরপুলে হত্যার ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

এ বছর কোন দেশে কত ঘণ্টা রোজা, জেনে নিন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বিস্ফোরণ

১০

ক্রাচে ভর দিয়ে পার্টিতে হৃতিক, কী হয়েছে নায়কের পায়ে

১১

গাজার রাফা ক্রসিং খুলে দেবে ইসরায়েল, তবে...

১২

ভয় দেখিয়ে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে : আমান

১৩

ট্রেনে কাটা পড়ে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

১৪

জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের ৫০ নেতাকর্মী

১৫

‘রাজাসাব’ ফ্লপ হতেই প্রভাস ভক্তদের রোষানলে নির্মাতা

১৬

গভীর রাতে দুই যুবদল নেতার বাড়িতে হামলা ও আগুন

১৭

যে কারণে পিছিয়ে গেল তারেক রহমানের রাজশাহী সফর

১৮

সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার : অর্থসচিব

১৯

প্রধান উপদেষ্টা / গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল

২০
X