সাভারের আমিনবাজারে একটি বদ্ধ ঘরের ভেতর আড্ডা দেওয়ার সময় আগুনে দগ্ধ হয়ে ৭ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
দগ্ধরা হলেন- মো. রায়হান শিকদার (২৩), মো. হাদিস (২০), মো. নাহিদ (২০), মো. জুয়েল (২৬), মো. মোনারুল ইসলাম (২১), মো. আল-আমিন (২৬) ও মো. রুবেল (২৮)। বর্তমানে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন তারা।
দগ্ধ মো. রায়হানের দুলাভাই মো. রকিব জানান, শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমিনবাজারের হিজলা গ্রামে পাকা দেয়ালের টিনশেড ঘরে রায়হানসহ বাকিরা আড্ডা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁরা ধূমপান করার জন্য সিগারেট জ্বালায়। এর পরপরই ঘরে আগুন ধরে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট নিয়ে যান। সেখানে দগ্ধদের মধ্যে মো. জুয়েল ও মো. মোনারুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘরঘেঁষা ড্রেনে কাজ করার সময় গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়। ওই লিকেজ থেকেই বদ্ধ ঘরে জমে থাকা গ্যাসের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সাভার মডেল থানার আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ওসি হারুন উর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় বেশ কয়েকজন আমাদের জানিয়েছেন, গতকাল রাতে বাড়ির মালিক হারুন মোল্লার ছেলেসহ ৭ জন ঘরটিতে মুড়িভর্তা খাওয়ার সময় সিলিং ফ্যানের বৈদ্যুতিক লাইনে আগুন ধরে যায়। এতে বৈদ্যুতিক তার গলে ওই সাতজনের গায়ে পরলে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। বৈদ্যুতিক তার এবং সিলিং ফ্যান-সংলগ্ন অংশটি ছাড়া ঘরের আর কোনো আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, দগ্ধদের মধ্যে মো. জুয়েল ও মো. মোনারুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন