কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:০৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘে পাঠানো চিঠি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত হয়নি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পুরোনো ছবি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পুরোনো ছবি

জাতিসংঘে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি গণমাধ্যমে ছাপা উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থ্যাংকস লেটারটি (চিঠি) গণমাধ্যমে ছাপা উচিত হয়নি। যারা ছাপছে তারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছে। প্রতি বছরই জাতিসংঘ সফর শেষে এ ধরনের চিঠি দেওয়া হয়। এটা একান্তই ব্যক্তিগত, এটি কীভাবে গণমাধ্যমে ছাপা হয় তা বোধগম্য নয়।

এ সময় পোশাক খাতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব খামোখা। আমার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই। কিছু বিপথগামী লোক নির্বাচন বানচাল করতে এসব কথা বলে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

জাতিসংঘে পাঠানো চিঠির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘে। সেই সময় অনেকের সঙ্গেই সাক্ষাৎ হয়। আমাদের একটি রেওয়াজ আছে যাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়, দেখা-সাক্ষাৎ হয় তাদের একটি ধন্যবাদপত্র দেওয়ার। এবারও সেটাই হয়েছে। ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সেসব কথাবার্তা চিঠিতে উল্লেখ করা ছিল; যা একান্ত ব্যক্তিগত চিঠি। আর এটা খামোখা একটি পত্রিকা ছেপে দিয়েছে। এটা বড় লজ্জার বিষয়। আমি জানি না এটা কীভাবে হলো, আমাদের দেশে কিছু লোক আছে যারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছে। বাহবা পাওয়ার জন্য যা পাচ্ছে তাই গণমাধ্যমে নিয়ে আসছে। এটা হওয়া উচিত নয়। এটা খুব দুঃখজনক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এসব করছে তারা নির্বাচনকে ভয় পায়। তাদের জনসমর্থন নেই। তারা জনগণের জন্য কোনোদিন আন্দোলন করেনি। তারা তাদের প্রভুদের খুশি করতে গিয়ে গাজায় যে ধরনের মানবিক বিপর্যয় চলছে, হত্যাযজ্ঞ চলছে সেই বিষয়ে কোনো কথা বলছে না। এরা তো মানুষ নয়, অমানুষ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিটি মুসলিম যেন এই অনুভূতি পায় : মারিয়া মিম

রমজানে বিনামূল্যে ইফতার পাবেন ১২ লাখ মানুষ

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, কারাগারে জেষ্ঠ্য সহকারী সচিব

বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকে শোকজ

ইরানে মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে একজনের মৃত্যদণ্ড কার্যকর

সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে মুখোমুখি জায়েদ-তানিয়া

দেশে ফিরতে চান সালাউদ্দিন

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন হাবিব ওয়াহিদ

সবচেয়ে দুর্বল লিগের তকমা পেল বিপিএল

অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন রাভিনা

১০

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

১১

১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের ভূমিধস বিজয় হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ 

১২

২৫ বছরের কৃষি পরিকল্পনা ঠিক করেছে সরকার

১৩

ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে হামলার শিকার কংগ্রেসের মুসলিম নারী সদস্য

১৪

ঘুমের মধ্যে পায়ের রগে টান লাগলে যে দোয়া পড়বেন

১৫

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু

১৬

৪ বছর পর চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরলেন জামায়াত নেতা

১৭

অরিজিতের প্লেব্যাক ছাড়ার সিদ্ধান্তে অবাক উদিত নারায়ণ

১৮

এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার আনিস আলমগীর

১৯

হাওরে পাখি শিকারের সময় আটক ৩

২০
X