বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ইকবাল কবীর রনজু, চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৪, ০১:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে পথের ধারে বেড়ে ওঠা ভাট ফুল

পথের ধারে ফুটে আছে ভাট ফুল। ছবি : কালবেলা
পথের ধারে ফুটে আছে ভাট ফুল। ছবি : কালবেলা

পাবনার চাটমোহরের বিভিন্ন পথের পাশে ফুটছে গুল্মজাতীয় বহু বর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ ভাট গাছের ফুল। কেউ কেউ ঔষধি গুণসম্পন্ন ভাট গাছকে ভাটি, বনজুঁই বা ঘেটুও বলে থাকেন। গ্রাম এলাকার পরিচিত এ বুনো উদ্ভিদের ফুল বাড়িয়ে তুলছে প্রাকৃতিক সৈন্দর্য। ভাট ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছে মানুষ।

জানা গেছে, ভাট গাছের আদি নিবাস বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার। ভাট গাছের দণ্ডায়মান প্রধান কাণ্ড দুই থেকে চার মিটার লম্বা হয়। খসখসে পাতাগুলো চার থেকে সাত ইঞ্চি লম্বা হয়। ডালের অগ্রভাগে সাদা ও বেগুনি মিশ্র রঙের ফুল ফোটে। বসন্তে মিষ্টি সৌরভের ফুল ফোটা শুরু হয়। গ্রীষ্মকালেও ভাট গাছে ফুল ফুটে থাকতে দেখা যায়।

উপজেলার হরিপুর মসজিদপাড়া সিদ্দিকীয়া আলিম মাদরাসার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস ছালাম জানান, দৃষ্টিনন্দন ভাট ফুল সৌন্দর্যপ্রিয় মানুষের মনের খোরাক জোগায়। রাস্তার পাশে, পরিত্যক্ত জমিতে অনাদর অবহেলায় বেড়ে ওঠা ভাট গাছের ফুল বসন্তে প্রাকৃতিক সৈন্দর্যে যোগ করে বাড়তি মাত্র। পথচারীরা উপভোগ করেন আবহমান বাংলার আদি বুনো ফুলের অপরূপ রূপ।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বড় বেলাই গ্রামের আব্দুল খালেক জানান, চাটমোহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে ভাট গাছ। বছরের পর পর বছর রাস্তার পাশে ভাট গাছ দেখে আসছি। বসন্তকালে যখন ভাট ফুল ফোটে তখন ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। যখন বাতাসে ভাট ফুলের শীষ দোল খায় তখন সুখানুভুতিতে মনও যেন আচ্ছন্ন হয়।

ছাইকোলা গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন জানান, চাটমোহর-হান্ডিয়াল, চাটমোহর-ছাইকোলা, চাটমোহর-হরিপুর সড়কসহ বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পথের পাশে এবং চাটমোহরের রেলপথের দুইপাশে ভাট ফুল চোখে পরছে। ভাট ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন পথচারীরা।

মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক প্রদীপ দাশ জানান, ভাট গাছ ও ভাট ফুল প্রাকৃতিক পরিবেশের অংশ বিশেষ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভাট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফ্রান্স-সুইডেন ম্যাচে কারা জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার 

দুই ভুলে একদিনেই ‘অন্ধকার’ জার্মান গণিতবিদের ভবিষ্যৎ

থাইল্যান্ডি জুয়ার মূল হোতাসহ নোয়াখালীতে গ্রেপ্তার ১০

ইরান সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে ইসরায়েল 

ইলিশ নেই, খালি হাতে ফিরছেন জেলেরা

বড় দুঃসংবাদ ব্রাজিলের, শেষ ষোলো থেকে ছিটকে গেলেন তারকা ফুটবলার

চূড়ান্ত হলো ব্রাজিলের শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ, ম্যাচ কবে-কখন

হালান্ডের জয়সূচক গোলে রাউন্ড অফ-১৬ তে নরওয়ে  

বিস্ফোরক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন এসএ পরিবহনের চেয়ারম্যান

প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ভাইকিংসরা

১০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড পেলেন ফেনীর মেয়ে সৈয়দা নুসরাত জাহান স্নেহা

১১

ফরিদপুরে ৬ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩০, নিহত ১

১২

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

১৩

কানাডা পশ্চিম বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি, স্থায়ী বহিষ্কারে কেন্দ্রে চিঠি

১৪

ছাত্রদলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

১৫

বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, রেঞ্জারসহ আহত ১৬

১৬

শিশু নন্দিনী হত্যা, পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার

১৭

পালিত বলি মহিষে প্রাণ গেল কৃষকের

১৮

ট্রাম্পের জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব আদেশ সুপ্রিম কোর্টে বাতিল

১৯

দুরন্ত ফ্রান্সকে হারানোর কঠিন মিশনে সুইডেন

২০
X