সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩৩
ইকবাল কবীর রনজু, চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৪, ০১:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে পথের ধারে বেড়ে ওঠা ভাট ফুল

পথের ধারে ফুটে আছে ভাট ফুল। ছবি : কালবেলা
পথের ধারে ফুটে আছে ভাট ফুল। ছবি : কালবেলা

পাবনার চাটমোহরের বিভিন্ন পথের পাশে ফুটছে গুল্মজাতীয় বহু বর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ ভাট গাছের ফুল। কেউ কেউ ঔষধি গুণসম্পন্ন ভাট গাছকে ভাটি, বনজুঁই বা ঘেটুও বলে থাকেন। গ্রাম এলাকার পরিচিত এ বুনো উদ্ভিদের ফুল বাড়িয়ে তুলছে প্রাকৃতিক সৈন্দর্য। ভাট ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছে মানুষ।

জানা গেছে, ভাট গাছের আদি নিবাস বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার। ভাট গাছের দণ্ডায়মান প্রধান কাণ্ড দুই থেকে চার মিটার লম্বা হয়। খসখসে পাতাগুলো চার থেকে সাত ইঞ্চি লম্বা হয়। ডালের অগ্রভাগে সাদা ও বেগুনি মিশ্র রঙের ফুল ফোটে। বসন্তে মিষ্টি সৌরভের ফুল ফোটা শুরু হয়। গ্রীষ্মকালেও ভাট গাছে ফুল ফুটে থাকতে দেখা যায়।

উপজেলার হরিপুর মসজিদপাড়া সিদ্দিকীয়া আলিম মাদরাসার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস ছালাম জানান, দৃষ্টিনন্দন ভাট ফুল সৌন্দর্যপ্রিয় মানুষের মনের খোরাক জোগায়। রাস্তার পাশে, পরিত্যক্ত জমিতে অনাদর অবহেলায় বেড়ে ওঠা ভাট গাছের ফুল বসন্তে প্রাকৃতিক সৈন্দর্যে যোগ করে বাড়তি মাত্র। পথচারীরা উপভোগ করেন আবহমান বাংলার আদি বুনো ফুলের অপরূপ রূপ।

হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বড় বেলাই গ্রামের আব্দুল খালেক জানান, চাটমোহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে ভাট গাছ। বছরের পর পর বছর রাস্তার পাশে ভাট গাছ দেখে আসছি। বসন্তকালে যখন ভাট ফুল ফোটে তখন ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। যখন বাতাসে ভাট ফুলের শীষ দোল খায় তখন সুখানুভুতিতে মনও যেন আচ্ছন্ন হয়।

ছাইকোলা গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন জানান, চাটমোহর-হান্ডিয়াল, চাটমোহর-ছাইকোলা, চাটমোহর-হরিপুর সড়কসহ বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পথের পাশে এবং চাটমোহরের রেলপথের দুইপাশে ভাট ফুল চোখে পরছে। ভাট ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন পথচারীরা।

মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক প্রদীপ দাশ জানান, ভাট গাছ ও ভাট ফুল প্রাকৃতিক পরিবেশের অংশ বিশেষ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভাট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন / সাইফুল হকের সঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময়

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের টিডিএফ উদ্যোক্তাদের রিফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

প্রার্থীকে বললেন নির্বাচন কমিশনার / ‘ব্যাংকের টাকাটা দিয়ে দিয়েন, না দিলে জনরোষ তৈরি হবে’

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৪ শতাধিক, মোট বৈধ প্রার্থী দাঁড়াল যত

জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল ছাত্রদল

তসলিমা নাসরিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

তারেক রহমানের সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সাক্ষাৎ

২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য

এশিয়ান টিভির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

১০

সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম

১১

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর শোকজের জবাব দিল এনসিপি

১২

তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম : নোমান

১৩

৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়

১৪

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৫

১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি

১৬

রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার অগ্নিকাণ্ড ষড়যন্ত্র উন্মোচনে পুরস্কৃত পুলিশ কর্মকর্তারা

১৭

বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে : ডা. শাহাদাত

১৮

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ৭ দফা নির্দেশনা বিএনপির

১৯

ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র পথ : ইশরাক হোসেন

২০
X