লালমনিরহাট ও হাতিবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টির পানির জন্য চোখের পানি ফেললেন হাজারও মুসল্লি

হাতীবান্ধার বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইস্তিস্কার নামাজে মুসল্লিরা। ছবি : কালবেলা
হাতীবান্ধার বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইস্তিস্কার নামাজে মুসল্লিরা। ছবি : কালবেলা

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে লালমনিরহাট। জনজীবন বিপর্যস্ত। ওষ্ঠাগত মানুষ ও পশুপাখির জীবন। হুমকির মুখে ফল ও ফসল। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চেয়ে তওবা, ইস্তিস্কার নামাজ ও দোয়া করেছেন এলাকাবাসী। এ সময় বৃষ্টির পানির জন্য চোখের পানি ফেললেন হাজার হাজার মুসল্লি।

সোমবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইস্তিস্কার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন বড়খাতা নূরানী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. নাজমুল হুদা। হাতীবান্ধার বড়খাতা বাজার ব্যবসায়ী ও ওলামা সমিতির উদ্যোগে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খোলা আকাশের নিচে প্রথমে মুসল্লিরা পাপ মোচনের জন্য কান ধরে তওবা করেন। পরে টুপি ও পাঞ্জাবি উল্টে সালাতুল ইস্তিস্কার নামাজ ও পরে দুই হাত উল্টে ঘণ্টাব্যাপী দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শত শত মুসল্লি আল্লাহ কাছে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন।

ফকিরপাড়া ইউনিয়নের আব্দুস সালাম বলেন, প্রায় এক মাস ধরে এলাকায় কোনো বৃষ্টি নেই। শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিতে অবস্থা খারাপ। প্রচণ্ড দাবদাহে ভুট্টা পোড়া যাচ্ছে। জমিতে কোনো রস নাই। পাট ক্ষেতের অবস্থা খুব খারাপ। বৃষ্টির জন্য নামাজ হবে এ কথা শুনেই ছুটে এসেছি।

বড়খাতা নূরানী জামে মসজিদের খতিব মাও. মো. নাজমুল হুদা বলেন, অনাবৃষ্টির কারণে বড়খাতা ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এলাকার মানুষ মিলে ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করেছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি এ এলাকায় রহমতের বৃষ্টি দিয়ে যেন পরিপূর্ণ করে দেন। অনাবৃষ্টির কারণেও ক্ষেত, ফসল পশুপাখি কষ্টে আছে।

বড়খাতা বাজার কমিটির সদস্য ও সমাজসেবক আহসান হাবীব লাভলু বলেন, বৃষ্টির অভাবে ধান, ভুট্টা ও পাট ক্ষেত পুড়ে যাচ্ছে। এজন্য আমরা বড়খাতা বাজার ব্যবসায়ী ওলামা সমিতি মিলে নামাজ ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে ফ্যাসিবাদের ছায়া দূর হয়েছে: জামায়াত আমির

মরদেহ উদ্ধারে গিয়ে নিজের ছেলের নিথর দেহ পেলেন পুলিশ সদস্য

বিশ্বকাপের সেরা ১০ তারকার নাম প্রকাশ, ১ নাম্বারে কে?

৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম

ইরান সংশ্লিষ্ট ৯ প্রতিষ্ঠান ও ৪ ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

মাদকের চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে বিয়েটাই ছিল জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল: রবি চৌধুরী

ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে বদলে গেল সমীকরণ, শীর্ষ পাঁচে কারা

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

৪৭ বছর বয়সে দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী

১০

নৈতিকতার চরম অবক্ষয় চলছে, রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম

১১

সিঙ্গাপুরে ধর্মমন্ত্রীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, সবশেষ তথ্য জানালেন শাহ আরেফীন

১২

বাসে চবি শিক্ষার্থীর ‘শরীরে স্পর্শ’, অভিযুক্ত পুলিশে সোপর্দ

১৩

এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে মামলায় গ্রেপ্তার রাকিবুলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

১৪

শাকিরার পোশাক, মেসির জার্সিসহ নিলামে বিশ্বকাপের অমূল্য কিছু জিনিস

১৫

শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাবিব, সম্পাদক রাকিব

১৬

সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার চায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১৭

ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে পিটিশন, মুখ খুললেন গোল্ডেন বলজয়ী পেদ্রো

১৮

থাইল্যান্ডে ১০ হাজার বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

১৯

মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার মধ্যে বোমা

২০
X