পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৪, ১১:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দাফনের ১৫ বছর পরও অক্ষত মরদেহ

পরিবারের শিশুদের সঙ্গে মো. আব্দুস সালাম। ছবি : সংগৃহীত
পরিবারের শিশুদের সঙ্গে মো. আব্দুস সালাম। ছবি : সংগৃহীত

২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান ১৩২ বছর বয়সী মো. আব্দুস সালাম। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার প্রায় ১৫ বছর পর তার কবর স্থানান্তর করার সময় মাটি খুঁড়লে দেখা যায়, কাফনের কাপড় এখনো ধবধবে সাদা রয়েছে। অক্ষত রয়েছে তার মরদেহটি। ঘটনাটি প্রকাশ পেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শত শত মানুষ এক নজর তা দেখার জন্য ভিড় জমাতে থাকেন।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সীমান্তবর্তী রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন নব্দীগঞ্জ গোদাশিমলা এলাকায়।

জানা যায়, রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক বর্ধিতকরণ ও গ্যাসের সঞ্চালন লাইন স্থাপন কাজের কারণে কবরস্থানটি সরকারি জায়গার মধ্যে পড়ায় সেখানকার কবরগুলো স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন স্বজনেরা।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে আব্দুস সালামের কবর স্থানান্তর করার সময় তারা দেখতে পান ১৫ বছর আগে যে কাফনের কাপড় পরিয়ে আব্দুস সালামকে দাফন করা হয়েছিল সেই কাপড় নতুনের মতোই রয়েছে এবং লাশও প্রায় অক্ষত রয়েছে। পরে পার্শ্ববর্তী আরেকটি কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয় তাকে।

শুক্রবার (৩১ মে) বিকেলে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সেই পুরোনো ও নতুন কবরস্থানে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন ঘটনা দেখতে ও জানতে এসেছেন।

এ সময় মরহুমের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, মরহুম আব্দুস সালাম কৃষি ও গৃহস্থালির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার ২ স্ত্রী, ৮ ছেলে ও ৪ মেয়ের মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন। তিনি জীবিত থাকাকালে খুব দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। তাবলীগে যেতেন। সারারাত ইবাদত-বন্দেগি করে কাটাতেন। বে-নামাজির হাতের রান্না খেতেন না। এলাকায় খুব ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৫ বছর পরও তার লাশ অক্ষত থাকার বিষয়টি আল্লাহর কুদরত ও তার নেক আমলের প্রতিদান বলে মনে করছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সব শঙ্কা উড়িয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশের পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয় : তারেক রহমান

৯ মাসের শিশুকে হত্যার পর যে কাণ্ড ঘটালেন ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী

‘সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বিশ্বস্ততা’

রাজধানীর ভাটারায় ভয়াবহ আগুন

বাংলাদেশের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন জয় শাহ

শহীদ জাকিরের মেয়ের বিয়েতে উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

শোনা হবে না বিসিবির আপিল, ডাক পেতে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড

বিপিএলে নতুন ‘রাজা’ শরিফুল

বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কেউ নেই : মির্জা ফখরুল

১০

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : প্রধান উপদেষ্টা

১১

রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় মিয়ানমারের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ  

১২

আরতি-পুষ্পাঞ্জলিতে বিদ্যাদেবীর আরাধনা, ‘মব’ রুখে দেওয়ার বার্তা

১৩

শরিয়া আইন নিয়ে ইসলামপন্থি দলগুলোর অবস্থান কী

১৪

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে পদ ছাড়লেন বিসিবি পরিচালক শামীম

১৫

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় অপহরণ, ১৫ দিনেও হদিস মেলেনি স্কুলছাত্রীর

১৬

দেশে প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্পেশালাইজড ডেন্টাল হাসপাতাল চালু 

১৭

বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলি, উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুলের বার্তা

১৮

তানজিদ ঝড়ে রাজশাহীর সংগ্রহ ১৭৪

১৯

এবার পুলিশ কমিশনার ভূমি পেডনেকর

২০
X