কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৩১ পিএম
আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও ১০ মামলা বাতিল

বেগম খালেদা জিয়া। পুরোনো ছবি
বেগম খালেদা জিয়া। পুরোনো ছবি

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পর এবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় নাশকতার অভিযোগে করা ১০টি মামলা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলা বাতিল করে রায় দেন।

এদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ও অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলা বাতিল করে রায় দেন।

এ সময় আদালত বলেন, কারও বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতির প্রয়োজন হয়। এ মামলা করার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের কোনো অনুমতি ছিল না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বলে বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে একটি মামলা হয়। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২৩ (ক) ধারায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিন্দা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিলোপ সমর্থনের অভিযোগে মামলাটি করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক।

ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুর রহমানের আদালতে মামলাটি করা হয়। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদেশে বলেন, ঘটনার গুরুত্ব ও স্পর্শকাতরতা বিবেচনা করে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটনের লক্ষ্যে তদন্তের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। তবে দণ্ডবিধির ১২৩(ক) ধারার অপরাধ আমলে নেওয়ার আগে সরকারের অনুমতি গ্রহণ আবশ্যক। তাই অভিযোগের বিষয়ে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তা দিয়ে অভিযোগের তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে শাহবাগ থানাকে নির্দেশ দেওয়া হলো।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনাসভায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘তিনি তো (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আজকে বলা হয়, এত শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’ তার এ বক্তব্য পরদিন বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এ বক্তব্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ করে, স্বাধীনতাযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই দণ্ডবিধির ১২৩(ক) ধারায় এটি অপরাধ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন মারা গেছেন

বিশ্বকাপ খেলতে মিরাকলের আশা বিসিবি সভাপতির

প্রতীক পেয়েই প্রচারণা, হাতপাখার প্রার্থীকে জরিমানা

সবার জন্য সমান শিক্ষার সুযোগ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব : রাবি উপাচার্য

কুমিল্লায় প্রতীক পাননি বিএনপির ২ প্রার্থী

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা জানালেন আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত

তিন কারণ দেখিয়ে বিসিবির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান আইসিসির

‘আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে মব নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

আইসিসির ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম, রাতেই বিসিবি-উপদেষ্টার বৈঠক 

১০

গ্রিনল্যান্ড দখলের নতুন পরিকল্পনা জানালেন ট্রাম্প

১১

সিলেটকে কাঁদিয়ে ফাইনালে রাজশাহী

১২

তারেক রহমানের সঙ্গে ৭টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠক

১৩

‘দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ / সিলেটি দামানের আগমনে উৎসবের আমেজ

১৪

নবম স্কেলে সরকারি কর্মচারীর প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য যে সুবিধা

১৫

ডিআরইউ নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

১৬

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ : ৬ শর্তে উত্তীর্ণ ৬৯২৬৫ প্রার্থী

১৭

‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে বিচলিত নয় জমিয়ত’

১৮

নতুন রেকর্ড গড়ে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ টাকা ছাড়াল 

১৯

মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ : জামায়াত আমির

২০
X