সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪২ এএম
আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি দেওয়া অবৈধ ছিল : হাইকোর্ট

হাইকোর্ট। পুরোনো ছবি
হাইকোর্ট। পুরোনো ছবি

কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তির বিধান অবৈধ ছিল। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তি কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলের শুনানি শেষে গত ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ড. শাহদীন মালিক। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সিনথিয়া ফরিদ।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন-২০১০’- এর ৯ ও ৬ (২) ধারা অনুযায়ী, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন বা মামলা করা যাবে না। এই ধারা দুটি চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্টে বেঞ্চ সোমবার রুল জারি করেন। এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি করে আজ হাইকোর্ট রায় দেন।

রিটে বলা হয়, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে অস্বাভাবিক খরচ আর অনিয়মের কারণেই বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। অথচ সেই অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার জন্য আইন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব অনিয়মের কোনো বিচারও চাওয়া যাবে না-এটা জনস্বার্থবিরোধী ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রুল জারির পর ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের জানান, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন-২০১০’ সাধারণত কুইক রেন্টাল আইন নামে পরিচিত। আইনটির ৬-এর (২) উপধারা ও ৯ নম্বর ধারার সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছি। ৬ এর ধারায় বলা আছে, জ্বালানিমন্ত্রী তার একক বিবেচনায় কোনো একক ব্যক্তি বা কোম্পানির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারবেন। এখানে মন্ত্রীর একক বিবেচনায় যাকে ইচ্ছা, যত টাকায় ইচ্ছা চুক্তি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আর আইনটির ৯ নম্বর ধারায় বলা আছে, কাকে চুক্তি দেওয়া হয়েছে, কত টাকার চুক্তি করা হচ্ছে, এসব ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে আদালতে শরণাপন্ন হওয়া যাবে না। দুটি ধারাই সংবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে এই আইনজীবী অভিযোগ করেন, ধারা দুটির অপব্যবহারের ফলে বিগত সরকারের আমলে কুইক রেন্টালের পাওয়ার প্ল্যান্টের নামে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচ জিতে শেষ আটে যাবে কে, জানাল অপটা

পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারল না ব্রাজিল

ফেসবুক পোস্টে যুবদল সভাপতির বার্তা

এটাই শেষ বিশ্বকাপ, রোনালদোর ঘোষণা

বিজিবিএ’র ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৬৬ স্থায়ী কমিটি গঠন

নরওয়ের বিপক্ষে একাদশ ঘোষণা ব্রাজিলের

একযোগে ৩৮ বিচারককে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি

জামায়াতের দুই রুকন বহিষ্কার

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

২০ শিশুসহ ১০০ ফিলিস্তিনিকে চিকিৎসার জন্য আশ্রয় দিল স্পেন

১০

সেন্টমার্টিনে ট্রলার চলাচল বন্ধ, অনিশ্চয়তায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা 

১১

নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছেন নেইমার?

১২

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রীর

১৩

সোমবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৪

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ জিতবে কারা, দেখুন ৫ ভবিষ্যদ্বাণী

১৫

মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ গেল ৩ বন্ধুর

১৬

সৌদি আরবে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

১৭

ফুলবাড়ীয়ায় ৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকার প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন

১৮

সালিশি বৈঠকে মারধরে জাপা নেতার মৃত্যু

১৯

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

২০
X