কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩২ পিএম
আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গুম-নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের সুখরঞ্জন বালির

গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন সুখরঞ্জন বালি। ছবি : সংগৃহীত
গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন সুখরঞ্জন বালি। ছবি : সংগৃহীত

গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় উপস্থিত হন তিনি।

এ সময় সুখরঞ্জন বালির আইনজীবী বলেন, ২০১২ সালে ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলা চলছিল। তখন এই সুখরঞ্জন বালিকে দেলাওয়ার হোসাইনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য পিক করেছিল পিরোজপুর থেকে। তাকে সেফ জোনে রেখে সাক্ষী দেওয়ার নানাভাবে প্রেশার দিয়েছিল, তাকে লাঞ্ছনা করা হয়েছিল। সুখরঞ্জন বালি বলেছেন, তার ভাইকে যারা মেরেছিল তখন সেখানে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না।

তিনি জানান, সে সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে চাননি। পরে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে সুখরঞ্জন বালির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সত্য বলার জন্য তিনি ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দিতে আসেন। তখন আইনজীবী মিজানুরের উপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনালের প্রাঙ্গণ থেকে সুখরঞ্জন বালিকে সাদা পোশাকধারী পুলিশের সদস্যরা জোরপূর্বক তুলে একটি প্রাইভেট কারে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। তারপর তাকে একটা বদ্ধ রুমে প্রায় তিন মাস আটকে রাখা হয়। এরপর তাকে সেখান থেকে সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ভারতের সীমান্তরক্ষীদের কাছে সুখরঞ্জন বালিকে হস্তান্তর করা হয়।

আইনজীবী আরও জানান, সুখরঞ্জন বালি জানিয়েছেন, পরে তিনি যে স্থানটি আবিষ্কার করেছিলেন তা হলো ভারতের কলকাতার বশিরহাট। সেখানে তাকে আটক রাখা হয়েছিল এবং দীর্ঘ পাঁচ বছর জেল জীবন কাটাতে হয়। পরে তিনি মুক্তি পান।

সুখরঞ্জন বালি অভিযোগ করেন, ওই সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে অপহরণ, আটক রাখা এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি মনে করেন, এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার পাওয়ার তার অধিকার রয়েছে। তিনি প্রসিকিউশন অফিসে এ সংক্রান্ত পূর্ণ বিবরণসহ লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নেসকো ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

ঢাকাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না মির্জা ফখরুলের

মীমাংসিত জমি ফের দখলের চেষ্টা, সাংবাদিকের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

শূন্যরেখায় থাকা ২৮ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

মার্কিন হামলার জবাবে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ আঘাত ইরানের

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

১০

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

১১

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

১২

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১৩

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

১৪

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

১৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

১৬

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১৭

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

১৮

১০ লাখ টাকায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আপসের দাবি

১৯

শূন্যরেখায় থাকা সেই ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

২০
X