কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

৩৭ দিনের জামিন পেলেন ড. ইউনূস

ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূকে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ আউয়াল এ আদেশ দেন।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। কলকারখানা অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

এর আগে বেলা ১১টায় শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ড. ইউনূস শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি। সাজার বিরুদ্ধে তার আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি জামিন চেয়েছিলেন।

ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এ আবেদন দাখিল করেন।

গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় চ্যালেঞ্জ করে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে জামিন দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত। সেদিন শ্রম আদালতের দেওয়া সাজা স্থগিত করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে জামিন চেয়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চেয়ে আপিলও করেছিলেন তিনি।

গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আপিল করেন ড. ইউনূস।

সেদিন ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আদালত আমাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং নিম্ন আদালতের সম্পূর্ণ রায়কে সাসপেন্ড করেছেন। একইসঙ্গে আগামী ৩ মার্চ নিম্ন আদালতের সেসব নথি আনার জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন। আর আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আদালতে জামিন প্রার্থনা এবং আপিল করেছি। রাষ্ট্রীয় সর্বমহলে এমনকি বিদেশিদের কাছেও বলা হচ্ছে, এ মামলা সরকার করেনি। এ মামলা শ্রমিক করেছে। কিন্তু ঘটনাটা সঠিক নয়। সরকার তার প্রতিষ্ঠান কলকারখানা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ মামলা করেছে। শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি, বর্ধিত ছুটি দেওয়া হয়নি এবং লভ্যাংশের ৫ শতাংশ দেওয়া হয়নি— এমন তথ্য দিয়ে এ মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান এ মামলা করেছে। এ মামলায় যে রায় হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ অবৈধ। ৩০৭ ধারা অনুযায়ী এ মামলায় শাস্তি দেওয়ার বিধান নেই। কারণ লেবার আইনের ২৩৬ ধারা অনুযায়ীই এ মামলার শাস্তির বিধান আছে। এ ধারাতেই বলা আছে, যদি বকেয়া থাকে তাহলে সেটা পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। এটা না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা, প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা করে। পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইন অনুযায়ী এটা আদায় করা হবে। কিন্তু সেসব ভায়োলেট করে বিশ্বের কাছে নন্দিত নোবেলজয়ী ড. ইউনূস ও তার বন্ধুদের সামাজিক ব্যবসা ধ্বংস করার জন্য এ সাজা দেওয়া হয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের ১ মাসের জামিন দেওয়া হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও

বিবাহবার্ষিকীতে ডিভোর্স লেটার উপহার পেয়েছিলেন সেলিনা জেটলি

এবার কোপা থেকেও রিয়ালের লজ্জার বিদায়

প্রকৃতির অলংকার অনিন্দ্যসুন্দর প্রজাপতি রতন

বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা

সেলস অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন

৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ

আমান আযমীকে কী বললেন তারেক রহমান 

পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ মাঝখানে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে : মুন্না 

৫০০ টাকার জন্য খুন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

১০

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বৈঠক: মতবিরোধের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি

১১

আংশিক মেঘলা ঢাকার আকাশ, তাপমাত্রা কত?

১২

গ্যাস সংকটে বেশি বিপাকে চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

১৩

আবেদনের শর্ত পূরণ ছাড়াই খুবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি

১৪

চাঁদপুর-৪ / বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

১৫

ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

১৬

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় প্রকৌশলীকে মারধর

১৭

শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল 

১৮

বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

১৯

সময় বাঁচাতে সকালে রোজ পাউরুটি খাচ্ছেন, শরীরে যে প্রভাব পড়ছে

২০
X