ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৫, ০৫:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঢাবিতে ইউনেস্কো চেয়ার : ১২৫টি দেশের সঙ্গে একাডেমিক সংযোগ

ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Inclusion in Higher Education Systems’ শীর্ষক একটি ইউনেস্কো চেয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (UNESCO) -এর UNITWIN/UNESCO Chairs Programme -এর অংশ। বিশ্বজুড়ে ১২৫টি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ১ হাজারেরও বেশি ইউনেস্কো চেয়ার রয়েছে।

এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়, যা সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে উৎসাহিত করে।

এই চেয়ার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনেস্কোর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এবং ইউনেস্কোর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থার মহাপরিচালক ওদ্র্রে আজুলে (Audrey Azoulay)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই চেয়ারের চেয়ারপার্সন এবং একই ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব কো-চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের নেতৃত্বে চেয়ারটি উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, সমতা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং নীতিনির্ধারণী সংলাপ পরিচালনা করবে।

চেয়ারটি কেবল একটি একাডেমিক উদ্যোগ নয় বরং এটি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈশ্বিক একাডেমিক নেটওয়ার্ক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্তে সংযুক্ত করবে। এই চেয়ারের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউনেস্কো চেয়ারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সহায়তা দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চেয়ারের কার্যক্রমে ব্যবহৃত ইউনেস্কো চেয়ার লোগো কেবল নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যবহার করা যাবে এবং কোনো অবস্থাতেই তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।

চেয়ারের মূল লক্ষ্যগুলো হলো : ১। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও সমতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা ২। উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনায় উৎসাহিত করা। ৩। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে আলোচনা সভা, সেমিনার ও ওয়েবিনারের মাধ্যমে জ্ঞান বিনিময় বিস্তৃত করা।

চেয়ারটির প্রথম মেয়াদ চলবে ৩০ জুন ২০২৯ পর্যন্ত। মেয়াদ শেষের আগেই কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইউনেস্কোকে জমা দিয়ে নবায়নের আবেদন করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই ইউনেস্কো চেয়ার দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি, ন্যায্যতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় আইসিসির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন পাক কিংবদন্তি

লাগাতার বিতর্কে আলোচনার তুঙ্গে ডাকসু নেতা সর্বমিত্র

বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েও বিপত্তিতে পড়েছে স্কটল্যান্ড

চিনি ছাড়া কফি কি স্বাস্থ্যকর, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

চাকরি দিচ্ছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক

একদিকে গায়ে হাত, অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ড চলবে না : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জনের বিপক্ষে ওয়াসিম আকরাম

জবিতে এআই ও বিজনেস ইনকিউবেশন ফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

অক্সফোর্ডের গবেষণা / তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

১০

ইসরায়েলি হামলায় টিভি উপস্থাপক নিহত

১১

তিন রুটে ৭ ঘণ্টা ধরে বন্ধ ট্রেন চলাচল, শিডিউল বিপর্যয়ে ভোগান্তি

১২

সাদ্দামের মায়ের প্রশ্ন, ‘এই জামিন দিয়ে কী হবে’

১৩

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটে ৯২ শতাংশ ফেল

১৪

বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের বড় সিদ্ধান্ত, শতকোটি টাকা ক্ষতির মুখে আইসিসি!

১৫

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ!

১৬

তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার

১৭

দাম বৃদ্ধির পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু

১৮

এবার নির্বাচনের জন্য টাকা চাইলেন জোনায়েদ সাকি

১৯

আপনি কি জাজমেন্টাল? জেনে নিন

২০
X