চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শিক্ষক সমিতির আন্দোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ও উপউপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিয়ে আন্দোলন ব্যাহত করছেন বলে প্রচার করছেন আন্দোলনকারীরা।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক কালবেলাকে এসব জানান। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) উপাচার্য পদত্যাগের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে সংবাদ প্রদর্শনী কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শিক্ষক সমিতির পূর্বঘোষিত ‘কেমন চলছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়?’ শীর্ষক সংবাদ প্রদর্শনী কর্মসূচির আয়োজন করেন আন্দোলনকারীরা। এ আয়োজনের সরঞ্জাম পরিবহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে আটকে দেওয়া হয় সরঞ্জাম পরিবহনের গাড়ি বহর। পরে খবর পেয়ে আটককৃত গাড়ি বহর ছাড়িয়ে আনেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরা। এরপর প্রশাসনের পক্ষে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষক সমিতির সঙ্গে দেখা করেন চবি প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার। শিক্ষক সমিতির নেতাদের চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক বলেন, আমাদের পূর্বঘোষিত স্থান বঙ্গবন্ধু চত্বরে বেলা ১১টার দিকে আজকের কর্মসূচি হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হওয়ায় সেই কর্মসূচি দুপুর ২টার দিকে করতে হয়েছে। প্রক্টর ও উপাচার্যের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রশাসন অবৈধভাবে শিক্ষক সমিতির আন্দোলনকে বাধা দিচ্ছে। বাধা দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ব্যাহত করা যাবে না। উপাচার্যের অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।
মন্তব্য করুন