কুবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৪, ০১:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
কুবিতে নিয়োগ পরীক্ষা

মুখোমুখি অবস্থানে প্রশাসন-শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা

কুবিতে মুখোমুখি অবস্থানে প্রশাসন-শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালবেলা
কুবিতে মুখোমুখি অবস্থানে প্রশাসন-শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালবেলা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মুখোমুখি অবস্থানে করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতি ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। নীতিমালা বহির্ভূত অবৈধ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিজ্ঞপ্তি বাতিল, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা, পদোন্নতি ও স্থায়ীকরণে যত অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য হয়েছে সেগুলোর নিষ্পত্তি করার দাবি তোলা হয়েছে। এ ছাড়া সঠিক নীতিমালা অনুসরণ করে পুনঃবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার দাবি করেছেন তারা।

বুধবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিয়োগ বোর্ডের বিভাগীয় প্রধান ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন কেউ উপস্থিত হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৫ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিভিন্ন ‘অনিয়ম’ উল্লেখ করে প্রশাসন বরাবর একটি চিঠি দেন শিক্ষক নেতারা। চিঠিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার দাবি জানান তারা। পরে বিষয়টি প্রশাসন আমলে না নিলে শিক্ষকরা প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান নেন।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড সকাল সাড়ে ১০টায় বসার কথা ছিল। যেখানে যাচাইবাছাই করে ৩৫ জন‌ পরীক্ষার্থীকে ডাকা হয়। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বোর্ড বসেনি। এতে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মখছেদুর রহমান ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার নিয়োগ বোর্ডে আসেনি।

এ বিষয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মখছেদুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়জন অধ্যাপক ১ম ও ২য় গ্রেডের জন্য আবেদন করেছেন। তাদের পদোন্নতি না দেওয়া এবং জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে যে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে তার সমাধান না করে প্রফেসর নিয়োগের বোর্ড আয়োজন করা হয়েছে। একজন ডিন হিসেবে এসব আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই প্রতিবাদ জানিয়ে আমি বোর্ডে যাইনি। এ ছাড়া আমি জানতে পেরেছি কিছু অছাত্র বোর্ড শুরু হওয়ার আগে উপাচার্যের দপ্তরে অবস্থান নিয়েছে। যারা গত ১৯ তারিখ শিক্ষকদের ওপর হামলা করেছে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণেও আমি সেখানে যাইনি।

শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সদস্য নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল বলেন, ভিসির সঙ্গে মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দাবির প্রেক্ষিতে আলোচনা চলছে। আমাদের দাবি অর্থাৎ সব অবৈধ পদোন্নতি ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বন্ধ না করা পর্যন্ত আমরা কোনো নতুন নিয়োগ হতে দেব না। আজকের যে নিয়োগ বোর্ড এটাও আমরা স্থগিত করতে অনুরোধ করব।

এসব বিষয়ে জানতে উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈনকে দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করা হলেও তিনি প্রতিবেদকের কল রিসিভ করেননি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

নির্বাচনের সার্বিক খোঁজখবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র : ইসি সচিব

সেতু নির্মাণে অনিয়ম, অভিযানে গেল দুদক

ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিলেন ৩ দলের ১৫ নেতাকর্মী

ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি–বংশোদ্ভূত ব্রিটিশের কারাদণ্ড

ইরানে আরও এক নৌবহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যারা অন্যায় করেনি আমরা তাদের বুকে টেনে নেব : মির্জা ফখরুল

হায়ার বাংলাদেশের জাঁকজমকপূর্ণ পার্টনার কনভেনশন অনুষ্ঠিত

২২ বছর পর রাজশাহীতে আসছেন তারেক রহমান

উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

১০

প্রার্থীর মেয়ের ওপর হামলায় ইসলামী আন্দোলনের প্রতিবাদ

১১

দুর্নীতিবাজকে ভোট  দিয়ে সুশাসনের স্বপ্ন দেখাই আত্মপ্রবঞ্চনা

১২

খেলা দেখতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় ৭ ফুটবল সমর্থক নিহত

১৩

শীত আসছে কি না, জানাল আবহাওয়া অফিস

১৪

বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

১৫

ধর্মেন্দ্র পাচ্ছেন মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ

১৬

হজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন ধর্ম উপদেষ্টা

১৭

বিএনপির নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

১৮

বিএনপির দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ

১৯

একই দলের প্রার্থী হয়ে লড়ছেন মামা-ভাগনে

২০
X