কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

পৃথিবী কি এত গরম হয়ে যাচ্ছে যে মানুষ থাকতে পারবে না?

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে গরম বেড়ে যাওয়ার খবর প্রায়ই শোনা যায়। তবে অধিকাংশ বাসযোগ্য এলাকায় পরিস্থিতি এখনো মানুষের জন্য জীবনযাপন অসহনীয় নয়। বিশেষ করে শুষ্ক অঞ্চলে গরম হলেও শরীর ঘাম দিয়ে নিজেকে ঠাণ্ডা রাখতে পারে।

কিন্তু এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে গরমের সঙ্গে আর্দ্রতাও বেশি থাকে। মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান ও ভারতের কিছু এলাকায় গরমে সামুদ্রিক আর্দ্রতা যুক্ত হয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে। সেখানে ঘাম দ্রুত বাষ্পীভূত হয় না, তাই শরীর ঠাণ্ডা হয় না এবং দীর্ঘ সময় থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

গবেষকরা ‘ওয়েট বাল্ব থার্মোমিটার’ ব্যবহার করে এই ঝুঁকি মাপেন। যদি ওয়েট বাল্ব তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, শরীর যথেষ্ট তাপ বের করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের মে মাসে দিল্লিতে তাপমাত্রা ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে অনেক মানুষ তাপদাহে মারা গিয়েছিলেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ : যখন আমরা কয়লা, তেল বা গ্যাস জ্বালাই, তখন কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি হয়। এটি বায়ুমণ্ডলে জমে সূর্যের তাপ ধরে রাখে। এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তন হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপজ্জনক গরম এবং আর্দ্রতা আরও বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গালফ কোস্ট ও মরুভূমি এলাকায়, যেখানে কৃষিকাজে জল স্প্রে করা হয়, সেসব অঞ্চলেও গরম ও আর্দ্রতার ঝুঁকি বাড়ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন শুধু গরমের সমস্যা নয়। এটি আগুন, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ায়। একুশ শতকের শেষ নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উর্ধ্বগতির কারণে প্রায় ২০ কোটি মানুষ বাসস্থান হারাতে পারেন। এছাড়া কৃষি ও অর্থনীতিও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

খারাপ খবর হলো, যতক্ষণ আমরা কার্বন জ্বালাবো, তাপমাত্রা বাড়তেই থাকবে। ভালো খবর হলো, আমরা সোলার ও উইন্ড পাওয়ারের মতো পরিচ্ছন্ন শক্তি ব্যবহার করে কার্বন নির্গমন কমাতে পারি। গত ১৫ বছরে পরিষ্কার শক্তি আরও সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য হয়েছে, এবং প্রায় সব দেশ জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সম্মত। যেমন আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে এই পৃথিবী বাসযোগ্য রাখতে পারি। তথ্যসূত্র : এনডিটিভি

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা, সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন স্পিকার

অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

দুর্যোগ তহবিল আটকে দেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

সকালের মধ্যেই ঢাকাসহ ১০ জেলায় হতে পারে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি

ইইউসহ ৬০ বাণিজ্য দেশের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সিসিক প্রশাসক

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

১০

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

১১

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

১২

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৩

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

১৪

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

১৫

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১৬

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১৭

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১৮

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১৯

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

২০
X