মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:১৮ পিএম
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

করোনার দুই ডোজ টিকা নিলেও আক্রান্তের শঙ্কা রয়েছে : বিএসএসএমইউ

করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি।
করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি।

করোনাভাইরাসের দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিলেও ভাইরাসটির নতুন জেএন.১ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থেকে যায় বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএসএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক শরফুদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) করোনার সর্বশেষ জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফলাফল জানানোর সময় তিনি এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক শরফুদ্দিন বলেন, গবেষণায় যাদের শরীরে কোভিডের নতুন জেএন.১ সাব-ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে তাদের ক্ষেত্রে তেমন প্রকট লক্ষণ দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বছরের শুরুতে নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের কথা জানিয়েছে। বিএসএমএমইউ গত জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কোভিড আক্রান্ত ৪৮ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছে। গবেষণায় তিনজনের নমুনায় সাব-ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১ শনাক্ত করা হয়েছে।

এই তিনজনের মধ্যে একজন সম্প্রতি দেশের বাইরে গিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক শরফুদ্দিন বলেন, এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গ করোনার অন্যান্য ধরনের মতোই। তাদের অবশ্য জ্বর, ঠান্ডা, গলাব্যথা, মাথাব্যথা এবং হালকা কাশির হালকা উপসর্গ ছিল। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব জানতে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই।

গবেষণার প্রধান পৃষ্ঠপোষক (সুপারভাইজার) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, করোনার নতুন উপধরন জেএন-ওয়ান বাংলাদেশে শনাক্ত হয়েছে। দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও যে কেউ এটিতে আক্রান্ত হতে পারেন।

জেএন-ওয়ান অতটা ক্ষতিকর না হলেও এটি দ্রুত ছড়ায় জানিয়ে তিনি বলেন, এই উপধরনে আক্রান্ত হলে মৃদু উপসর্গ দেখা দেয়। তবে এতে সংক্রমণের মাত্রা বেশি হওয়ায় জ্বর, ঠান্ডা হলেই করোনা পরীক্ষা করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নতুন এই উপধরনে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণের তীব্রতা কম। সব জেএন.ওয়ান উপধরনে আক্রান্ত রোগীর কমপক্ষে দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া ছিল। তৃতীয়বারের মতো আক্রান্ত হয়েছেন এরকম রোগীর মধ্যেও এই ধরন পাওয়া গেছে। মৃদু উপসর্গের কারণে এটি দ্রুত ছড়ায়।

বিএসএমএমইউ ২০২১ সালের ২৯ জুন থেকে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের ওপর গবেষণা চালাচ্ছে। গবেষণায় প্রায় এক হাজার ৫০০ কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীর ন্যাযোফ্যারিনজিয়াল সোয়াব স্যাম্পল থেকে নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের জেনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

১০

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

১১

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

১২

অস্ত্রোপচারে ড্রিলের ফলা রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

১৩

ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন

১৪

উগ্রবাদে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মামুন রিমান্ডে

১৫

ভূয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

১৬

নেত্রকোনায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সড়কে ধস

১৭

অস্ট্রেলিয়ায় আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের মানবিক উদ্যোগ

১৮

এফওপিএল নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্তের আহ্বান, নীতি পর্যালোচনায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

১৯

বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম / থার্ড টার্মিনাল চালাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি

২০
X