কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘আ.লীগ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে কিনা তদন্ত করা উচিত’

ছায়া সংসদে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত
ছায়া সংসদে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে কিনা তা তদন্ত করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দায় নিয়ে ছায়া সংসদ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদের প্রচ্ছন্ন নিষ্ক্রিয়তা ছাড়া বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত সম্ভব ছিল না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল একটা অজুহাত। এ সময় বিডিআর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনের পোশাক পরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন কি না, সেটিও তদন্ত করা উচিত।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশন এ সংক্রান্ত সব তথ্য বের করে আনবে। এ দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার জন্যই ৫৭ জন চৌকস সেনা সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং যারা মাস্টারমাইন্ড ছিলো তাদেরও খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদরদপ্তরের সংঘটিত বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।

এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুইটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি আটকে আছে ৪৬৮ বিডিআর সদস্যের।

হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের বিচার কাজ শেষ হয়েছে। এতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাইকোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে এবং বিভিন্ন মেয়াদে ২২৮ জনকে সাজা প্রদান করা হয়। এছাড়া ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

হাই কোর্টের রায়ের পূর্বে ১৫ জনসহ মোট ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাই কোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।

অন্যদিকে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ২০১০ সালে ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ফলে এ মামলার বিচার ঝুলে যায়। তবে শাসন ক্ষমতার পরিবর্তনে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুরে বিনামূল্যে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট বিতরণ

আবিদ রাজ্জাকের কবিতা : নির্বাসিত একজন

যে কারণে ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে নিতে চান ট্রাম্প

কেরানীগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী অভিযানে চোর-ছিনতাইকারীসহ গ্রেপ্তার ৭৪১

জামায়াত নেতাকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা, কারণ জানাল পুলিশ

ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার 

জিআই সনদ পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড়

পিছিয়ে পড়া চা শ্রমিকদের ব্যাপারে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

আর্জেন্টিনার সমর্থককে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরানোয় থানায় অভিযোগ

আইডিআরএর প্রথম নারী চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন

১০

একই পরিবারে যুবদল, এনসিপি ও যুবলীগের তিন নেতা

১১

আইডা অ্যাওয়ার্ডসে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব শুভ্র ও রিমন

১২

টেক্সটাইল খাতে বৈশ্বিক কমপ্লায়েন্স ও টেকসই উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে বিইউবিটিতে সেমিনার

১৩

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে গুলি, গ্রেপ্তার অর্ধশতাধিক

১৪

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন দিন, সংসদে প্ল্যাকার্ড তুললেন এমপি

১৫

ভারতে যাচ্ছে রাজ রিপার প্রথম সিনেমা 'ময়না'

১৬

বিকেএসপিতে ক্রীড়া চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী সেমিনার শুরু

১৭

মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, জানা গেল আশুরা কবে

১৮

রাজশাহীর কালাই রুটিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

১৯

রাশিয়া-ইউক্রেনকে শান্তিচুক্তির আহ্বান ট্রাম্পের

২০
X