কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:১৮ এএম
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

অর্ডার বিপক্ষে গেলে ফেসবুকে আলোচনা না করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান বিচারপতির

ছবি : কালবেলা
ছবি : কালবেলা

অর্ডার বিপক্ষে গেলে বিচার বিভাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ফেসবুকে আলোচনা না করার জন্য বলেছেন বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যে কোনো অর্ডার পক্ষে-বিপক্ষে যেতে পারে। তবে এটার জন্য উপরস্থ আদালত রয়েছে, সেখানে যাবেন। যদি সেখানেও না হয়, তাহলে হাইকোর্টে যাবেন, সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। কিন্তু একটা অর্ডার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা ফেসবুকে বিচার বিভাগ নিয়ে আলোচনা করবেন না। বিচার বিভাগের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়া মানে আপনারও সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়া। আপনিও বিচার বিভাগের অন্যতম অংশ। আইনজীবী ছাড়া বিচারকাজ চলতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকার আদালতের সংকট নিরসনে কাজ শুরু হয়ে গেছে। এখন শুধু আপনাদের (আইনজীবী) সহযোগিতা দরকার। আদালতে ২০ তলা ভবন করার জন্য চেষ্টা চলছে। আদালত প্রাঙ্গণের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করতে ডিএমপি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি আদালতে এসির ব্যবস্থা করা হবে। এসির আগে বিদ্যুতের সঠিক সরবরাহের জন্য সাবস্টেশন বসানো হচ্ছে। লিফটের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান এ বিচারপতি।

তিনি বলেন, 'প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছে, এখানকার আইনজীবী ও বিচারকরা ঠিকভাবে লজিস্টিক সাপোর্ট পাচ্ছেন না। জায়গা সংকুলানের কারণে বিচার ঠিকভাবে করা যাচ্ছে না। তার পরও বিচারকরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’ এ সময় সভায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী, বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ, বিচারপতি মো. সগীর হোসেন, বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী, ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ রফিকুল ইসলাম, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নূরে আলম ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, 'সিএমএম ,সিজেএম আদালত থেকে প্রতি বছর রাজস্ব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সিটি করপোরেশন থেকে আমরা সেভাবে সার্ভিস পাচ্ছি না। সিএমএম কোর্টের এত বড় ভবনে মাত্র ২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এই দুইজন দিয়ে কীভাবে পরিষ্কার রাখা যায়। সিটি করপোরেশন যদি প্রতিদিন ময়লার গাড়ি দিয়ে পরিষ্কার করে তাহলে আদালত পরিষ্কার রাখা যাবে।'

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

কাপ্তাই সড়ক অবরোধ, উত্তেজনা

বিশ্বকাপে নামার আগেই ইংলিশ ফুটবলারদের বুট চুরি

ধর্ষণের অভিযোগের পর সেই শিবির নেতা বহিষ্কার

ইরাক-ইরান সীমান্তে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল মায়সান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী

দিনেদুপুরে যুবদল নেতা মাসুদকে গুলি করে হত্যা

বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব : চিটাগাং চেম্বার সভাপতি

শুধু ১৪০ নয়, ২২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আপত্তিকর ভিডিও, নারী প্যানেল চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি

১০

নাঈমকে হেনস্থা, প্রতিবাদে সরব সতীর্থরা

১১

ধর্ষণ মামলায় শিবিরের সেই কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

১২

ক্যানসারের ওষুধের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াল ভারত

১৩

আনসার-ভিডিপিতে জাপানিজ ভাষা শিক্ষার সুযোগ

১৪

বড় বিভ্রাটের কবলে ফেসবুক, কী ঘটেছিল সেই এক ঘণ্টায়

১৫

নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

১৬

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৬১

১৭

ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরে গেলেন মোদি

১৮

শহরের মতো হয়ে গেছে গ্রাম, বদলে যাচ্ছে নগরের সংজ্ঞা

১৯

গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র অগ্রণী ভূমিকা

২০
X