কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৩, ০৭:১১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত

রেজুলেশনটিতে ১১৪টি দেশ সহপৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ছবি : সংগৃহীত
রেজুলেশনটিতে ১১৪টি দেশ সহপৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি শীর্ষক রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

বুধবার (১৫ নভেম্বর) রেজুলেশনটি যৌথভাবে উত্থাপন করে ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এবারের রেজুলেশনটিতে ১১৪টি দেশ সহপৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছরের রেজুলেশনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উঠে এসেছে। ১ দশমিক ২ মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের উদারতা এবং মানবিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে এতে। ভাসান চর প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়েছে।

মিয়ানমারের অবনতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এটি রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণসমূহ উদ্ঘাটন করতে এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বপ্রণোদিত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিরাপত্তা পরিষদে সম্প্রতি গৃহীত ২৬৬৯ রেজুলেশনকে স্বাগত জানায়, যাতে পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমারে সব ধরনের সহিংসতার অবিলম্বে অবসানের দাবি জানায়। এতে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে আসিয়ানের পাঁচ দফা ঐকমত্যের দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। এবারের রেজুলেশনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলার অগ্রগতি এবং আন্তজার্তিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউশনের তদন্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। সর্বোপরি, রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বার্ডেন শেয়ারিং নীতির আওতায় যাতে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখে, সে বিষয়ে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, যেখানে জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব ও খুব সীমিত সম্পদ রয়েছে। আমাদের ভূখণ্ডে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কোনো সুযোগ নেই। তাদের অবশ্যই তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে। এ সময় মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বপ্রণোদিত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমার সরকারের রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতির উন্নতির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের প্রতিনিধি এ ব্যাপারে আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের আলোচ্য সূচিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে জীবন্ত এবং গুরুত্ববহ করে রাখার জন্য বাংলাদেশ ওআইসি এবং ইইউকে তাদের নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বলিউডে কাজ করতে চান উইল স্মিথ

ইসিতে চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে

আত্মিক প্রশান্তির পথে পূর্ণিমা

প্রাথমিকের প্রশ্নফাঁস ইস্যু, সমাধানে করণীয় জানালেন এনসিপি নেতা মিরাজ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

জেনারেশন বিটার সন্তানদের জন্য কীভাবে প্রস্তুত হবেন অভিভাবকরা

মুগ্ধতায় নিক-প্রিয়াঙ্কা

ভারতে নিরাপত্তা ঝুঁকি স্বীকার করে বিসিবিকে আইসিসির চিঠি, যা বলা আছে

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

দুর্ঘটনার কবলে স্লিপার বাস

১০

কুকুর কামড়ানোর পর প্রথম ১৫ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক কী কী করবেন

১১

তেঁতুলিয়ায় তীব্র শীত, তাপমাত্রা কত

১২

বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

১৩

যেভাবে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করবেন

১৪

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন শুরু আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫

ইরানে হামলা হলে জবাব দেবে কাতাইব হিজবুল্লাহ

১৬

আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করল সোমালিয়া, কারণ কী

১৭

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

১৮

কাফনের কাপড় নিয়ে পার্কে বসে তরুণীর বিষপান

১৯

গাজায় নিহত ছাড়াল ৭১ হাজার ৪০০

২০
X