কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শ্রমজীবী ও চালকদের মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান রিজভীর

বক্তব্য রাখছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি : কালবেলা
বক্তব্য রাখছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি : কালবেলা

শ্রমজীবী ও যানবাহন চালকদের সম্মানজনক অবস্থান তথা মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরযান চালক দলের সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা অফিস উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শ্রমজীবী মানুষ পরিশ্রম করে খায়। কিন্তু তারা নানাভাবেই নাজেহাল হয়। আমরা দেখেছি বিনা কারণেই নাজেহাল হয়। যদি ঢাকা মহানগর ও সারা বাংলাদেশে একটি জনহিতকর আইন থাকতো, তাহলে উবার চালক, সিএনজি চালকরা কখনো হয়রানির শিকার হতো না।

তিনি বলেন, দেশে গরিব, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষই বেশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়। এই হয়রানি থেকে মুক্ত করে কিভাবে এই পেশাকে লাভজনক, সম্মানজনক ও সুখী হওয়ার পেশা হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সেটা ভাবতে হবে।

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আমেরিকায় বাংলাদেশের অনেক ছেলে, এমনকি ইঞ্জিনিয়ার-ডাক্তাররাও পাঠাও চালায়, ট্যাক্সি চালায় এবং উন্নত জীবনযাপন করে। সেখানে শ্রেণি বিভাজন নেই। একজন ট্যাক্সি চালক ও একজন এমপির সমাজে একই মূল্য আছে। আমাদেরও সেই সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তার ৩১ দফা কর্মসূচিতে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। সমাজে কে ছোট কাজ করে, কে বড় কাজ করে, এই ব্যবধান থাকবে না। পাঠাও, উবার, সিএনজি চালকরা সমাজের সবচাইতে সম্মানিত মানুষ হবেন। সরকারের উচিত তাদের সম্মান দিয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা। যে ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে এখনো চাকরি পায়নি, সে উবার-ট্যাক্সি চালাক। এটি একটি স্বাধীন পেশা। এই পেশায় নিযুক্ত হয়ে কমপক্ষে নিজের পরিবার বা বাবা-মাকে দেখার মতো আয় হয়। রাষ্ট্রকে এই পেশাকে সম্মানিত পেশা করতে হবে। যার ছেলেই হোক, বেকার থাকলে সে ট্যাক্সি চালানো শিখবে, উবার চালানো শিখবে।

জাতীয়তাবাদী মোটরযান চালক দলকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, এই সংগঠন শুধু মিছিল-মিটিং করার জন্য নয়, বরং এই পেশার মানুষদের সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে, সম্মানিত থাকতে এবং হয়রানি ও পুলিশি নির্যাতনের শিকার না হতে সাহায্য করবে। এজন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি যাত্রীরাও যাতে নিরাপদ বোধ করে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। দেশের আইন-কানুন মানুষের পক্ষে, মানবকল্যাণের পক্ষে হলে কেউ কারও দ্বারা নিপীড়িত বা নির্যাতিত হবে না।

অনুষ্ঠানের সংগঠক সঞ্জয় দে রিপনের সভাপতিত্বে এবং প্রধান সমন্বয়কারী আরিফুর রহমান তুষারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটরযান চালক দলের সদস্য সচিব একেএম ভিপি মুসাসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

কালবেলা/এফএফ/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার

ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দিনব্যাপী শাখা দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সেতুর পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ 

শোকেরও ছুটি নেই

স্বামী ছিলেন জেলে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

ব্যাডমিন্টনের মাধ্যমে প্রবাসে বন্ধন ও সম্প্রীতির বার্তা

‘ইকোফিল’ উদ্যোগ চালু করল এনার্জিপ্যাক

টানা উত্তেজনায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চে তেলের দাম

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে দাবি / এমপি নজরুলের নির্দেশে হামলা হয়েছিল ড্রাইভারের ওপর

বিশ্ববাজারে দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

১০

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর সুপারিশ ইকোসকের

১১

থালাপতি বিজয়ের ‘জন নায়াগান’ / ৪৮ ঘণ্টায় বিক্রি ১৫ কোটি টাকার টিকিট

১২

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার

১৩

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

১৪

ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে রদবদল করলেন জেলেনস্কি

১৫

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

১৬

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান আসামি রিমান্ডে

১৭

১৭ দিন ধরে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী, দিশাহারা বাবা-মা

১৮

আসিয়ানের পক্ষে রাশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন লাভরভ

১৯

ব্রাহ্মণপাড়ায় বেহাল সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ

২০
X