

ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এবং ‘মায়ের ডাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেছেন, কাউন্দিয়া ও বনগাঁ এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এই দুই অঞ্চলকে আধুনিক পর্যটন এলাকায় রূপান্তর করা সম্ভব।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে কাউন্দিয়া উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন গ্রামের মেঠোপথ, স্কুল, হাট-বাজার এবং বাড়ি-বাড়িতে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
তুলি বলেন, ঢাকা-১৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত জনপদ হলো কাউন্দিয়া ও বনগাঁ। সামান্য উদ্যোগ ও সঠিক পরিকল্পনা নিলেই এই অঞ্চলকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। আমরা গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বহিরাগত ভূমিদস্যুদের দখল থেকে কৃষিজমি রক্ষা করে স্থানীয়দের মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা গেলে এ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং পর্যটকদের আগমন বাড়বে। তখন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত সমস্যাও দূর হবে।
স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সম্মানিত ভোটাররা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকলে ইনশাল্লাহ আমরা এই এলাকাকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করব।
আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে তুলি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৪ আসনের সব মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেব। চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, দুর্নীতিবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের এই এলাকায় কোনো স্থান হবে না। তারা হয় ভালো হয়ে যাবে, নয়তো এলাকা ছাড়তে বাধ্য হবে।
ভোট চাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নেতিবাচক রাজনীতি না করার অঙ্গীকার করে বলেন, আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভোট চাই না। আমি কী করতে পারব, সেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েই মানুষের সমর্থন চাই।
এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ দলের সব সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
গণসংযোগকালে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন