কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:১৩ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস

শায়খ আহমাদুল্লাহ। পুরোনো ছবি
শায়খ আহমাদুল্লাহ। পুরোনো ছবি

জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, ধর্মকে অগ্রাধিকার দিয়েও যে কোনো দেশ উন্নতির শিখরে উঠতে পারে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিভায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিগত ৫০ বছর যাবৎ দেশের সকল সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করছে কথিত প্রগতিশীল শক্তি। এরা সব সময়ই ধর্মকে রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। শুধু তাই নয়, তারা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেছে— উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো ধর্ম। অথচ ধর্মকে অগ্রাধিকার দিয়েও যে কোনো দেশ উন্নতির শিখরে উঠতে পারে, তার বড় উদাহরণের নাম মালয়েশিয়া।’

তিনি আরও বলেন, তাদের (মালয়েশিয়ার) সংবিধানের ৩ (১) ধারায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উল্লেখ করে অন্যান্য ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। সেখানকার মোট জনগোষ্ঠীর ৬০-৬৫ শতাংশ মুসলমান। তার ওপর ভিত্তি করে তারা যদি ইসলামকে রাষ্ট্রের কেন্দ্রে রাখতে পারে, সকল কাজে ইসলামকে ধারণ করে তারা যদি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, তবে বাংলাদেশে সমস্যাটা ঠিক কোন জায়গায়?

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শুধু মালয়েশিয়াই নয়, এমন আরও বহু দেশ রাষ্ট্রধর্মকে স্বীকার করে তার আলোকে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে গেছে। চোখের সামনে উন্নতির এমন জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ থাকার পরও ধর্মই এদেশের প্রগতিশীলদের প্রধান শত্রু। অথচ যুগের পর যুগ রাষ্ট্র থেকে ধর্মের বিযুক্তি আমাদের দেশকে কী দিয়েছে, কতটুকু উন্নত করেছে, এটা সময়ের বড় প্রশ্ন। এর চেয়ে যদি রাষ্ট্র পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দেয়া হতো, তাদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হতো, যদি তাদের ভেতর এই অনুভব ছড়িয়ে দেয়া যেত যে, তারা বাইরের কেউ নয়, তারা এই দেশের মালিক, তবে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য তারা সবকিছু উজাড় করে দিত। এতে দিনশেষে লাভবান হতো আমাদের এই দেশটাই।

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। সেখান প্রধানমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। আইকনিক কোন ইসলামিক ব্যক্তিত্ব দেশে এলে রাষ্ট্রীয় প্রটৌকল দেওয়া হয়। সেখানকার মন্ত্রী, এমপি সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ইসলাম পালনের চেষ্টা করেন। নারী পুলিশের ইউনিফরমে হিজাব আছে। এগুলোর কোনোকিছুই যদি মালয়েশিয়ার উন্নতির পথে অন্তরায় না হয়, তবে বাংলাদেশে বাধা কোথায়!

জনপ্রিয় এ ইসলামি আলোচক বলেন, গুটিকয় প্রগতিশীল এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পলিসি নির্ধারণ করে আসছে। সংখ্যাগরিষ্ঠরা কিছু বললেই তাদেরকে বিভিন্ন রাষ্ট্রে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়া হয়। এভাবে দিনের পর দিন জনগণের গণআকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা হবে, এটাই কি কথিত প্রগতিশীলদের গণতান্ত্রিক আচরণের স্বরূপ?

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমি এখনো সেদিনের কথা ভুলতে পারি না : ঐন্দ্রিলা

গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ ট্রাম্পের

ড. ইউনূস নির্বাচনের পর কী করবেন, জানাল প্রেস উইং

বিইউবিটিতে ‘হাল্ট প্রাইজ’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ঢাবি শিক্ষক গোলাম রাব্বানির চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতির দাবিতে স্মারকলিপি 

ঢাকা ক্যাপিটালসের অভিযোগের জবাবে যে ব্যাখ্যা দিল বিসিবি

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক স্ক্র্যাপের দাম বাড়ছে, দেশে এমএস রডের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি

বাবা-ছেলেকে একাদশে রেখে অনন্য কীর্তি নোয়াখালীর

তদন্তে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল : প্রাথমিকের ডিজি

১০

যে কোনো সময় ইরানে হামলার অনুমোদন দিতে পারেন ট্রাম্প

১১

ঠান্ডারও মুড সুইং হচ্ছে : ভাবনা

১২

দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই, জামায়াত নেতার বক্তব্য ভাইরাল

১৩

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ-প্রচারণা নিষিদ্ধ

১৪

গণতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়ার উপহার : আমীর খসরু

১৫

উত্তেজনার মাঝেই ভারতে আম্পায়ারের ভূমিকায় বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা

১৬

জামায়াতের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকদের বৈঠক

১৭

এসআইসিআইপির আওতায় কমিউনিটি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে অংশীদারিত্ব চুক্তি

১৮

দুই দিন পর পরিচয় মিলল নদ থেকে উদ্ধার মরদেহের

১৯

২০২৬ বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা স্কোয়াডে জায়গা নিশ্চিত যাদের

২০
X