স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৫, ০১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লজ্জার সিরিজ হারের পর আত্মসমালোচনায় লিটন

লিটন দাস। ছবি : সংগৃহীত
লিটন দাস। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি অপ্রত্যাশিত মোড়—আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারলো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল। বুধবার রাতে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজয় ঘটে টাইগারদের। সিরিজের ফলাফল ২-১, এবং সেটাও আমিরাতের পক্ষে।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১৬২ রান তুলতেই গুটিয়ে যায়। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান আমিরাত দল ৭ উইকেট হাতে রেখেই পৌঁছে যায় জয়ের দোরগোড়ায়। এমন হারের পর ম্যাচশেষে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে স্পষ্ট আত্মসমালোচনার সুরেই কথা বললেন লিটন দাস।

‘অবশ্যই আমরা যথেষ্ট ভালো ছিলাম না,’—খোলামেলা স্বীকারোক্তি লিটনের, ‘এখানে এলে সবসময় ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়ে নামা উচিত, কিন্তু ক্রিকেট জীবনের অংশ। প্রতিপক্ষও মাঝেমধ্যে অসাধারণ খেলবে। আজকে তাই আমিরাতকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।’

ব্যাটিং ব্যর্থতাই যে হারের মূল কারণ, সেটা খোলাসা করলেন লিটন নিজেই। উইকেট ও কন্ডিশন বিবেচনায় টাইগারদের রানটা আরও বড় হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

‘ব্যাটিংয়ে আমরা কিছু ভুল করেছি। এই উইকেটে আমরা যতটা রান আশা করেছিলাম, তা পাইনি।’

‘পরে শিশিরের কারণে বল করতেও কঠিন হয়ে উঠেছিল,’—যোগ করেন টাইগার অধিনায়ক।

তবে হতাশার মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক দেখছেন লিটন। তরুণদের নিয়ে আশাবাদী তিনি—‘পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম ভালো সূচনা দিয়েছে। কয়েকটি ম্যাচে জাকের ও হৃদয়ও রান করেছে। বোলিংয়েও মাঝের ওভারে কেউ কেউ ভালো করেছে। আমাদের আরও শিখতে হবে, সেই শিক্ষা ম্যাচে কাজে লাগাতে হবে।’

প্রতিপক্ষ আরব আমিরাতের প্রশংসা করতেও পিছপা হননি লিটন দাস। ‘তারা সত্যিই দুর্দান্ত খেলেছে। শুরুতে ভালো বল করায় আমরা ছন্দ হারিয়ে ফেলি। ব্যাটিংয়ে শিশির কিছুটা সাহায্য করলেও, তাদের সাহসিকতা ও স্থিরতাই আলাদা করে বলার মতো।’

এই সিরিজ হার বাংলাদেশের জন্য শুধুই লজ্জার নয়, বরং সতর্কবার্তা—বিশ্ব ক্রিকেটে ছোট দল বলে কাউকে হালকাভাবে নেওয়ার দিন শেষ। এখন প্রয়োজন আত্মসমালোচনা থেকে শিখে মাঠে বাস্তবায়নের। না হলে সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শেষ আশ্রয়টুকুও গিলে খাচ্ছে ছোট ফেনী নদী

মিসওয়াকের গুরুত্ব ইসলামে এত বেশি কেন?

সলোমন দ্বীপপুঞ্জে স্বর্ণের খনিতে ধস

হরমুজ প্রণালিতে ৬টি জাহাজ থামাল ইরান

বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অফিসিয়াল সিলেকশনে ‘মাটি’

এনসিপির পথসভার কাছে মিলল বোমাসদৃশ বস্তু

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছে ইসি

উগ্র ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল বুরকিনা ফাসো

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ‘নয়াবাজার শাখা’ নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর

১০

জুনিয়র এনটিআরের সিনেমায় ইউরোপিয়ান ধামাকা

১১

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

১২

এতিমদের বরাদ্দের চালে নয়ছয়, অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

১৩

পদ্মা সেতুতে ইটিসির নতুন মাইলফলক, ১০ কোটি টাকা ছাড়াল টোল আদায় 

১৪

ফেনীতে বিজিবির অভিযানে বিপুল ভারতীয় মালামাল জব্দ 

১৫

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানী বাড়াল সরকার

১৬

অফিসার পদে চাকরির সুযোগ, বেতন ৬০ হাজার টাকা

১৭

কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাড়ল

১৮

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিবসহ গ্রেপ্তার ৬

১৯

হিজবুল্লাহর প্রশংসায় খামেনি / ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ছাড়া পথ নেই’

২০
X