শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৫, ০১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লজ্জার সিরিজ হারের পর আত্মসমালোচনায় লিটন

লিটন দাস। ছবি : সংগৃহীত
লিটন দাস। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি অপ্রত্যাশিত মোড়—আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারলো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল। বুধবার রাতে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজয় ঘটে টাইগারদের। সিরিজের ফলাফল ২-১, এবং সেটাও আমিরাতের পক্ষে।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১৬২ রান তুলতেই গুটিয়ে যায়। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান আমিরাত দল ৭ উইকেট হাতে রেখেই পৌঁছে যায় জয়ের দোরগোড়ায়। এমন হারের পর ম্যাচশেষে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে স্পষ্ট আত্মসমালোচনার সুরেই কথা বললেন লিটন দাস।

‘অবশ্যই আমরা যথেষ্ট ভালো ছিলাম না,’—খোলামেলা স্বীকারোক্তি লিটনের, ‘এখানে এলে সবসময় ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়ে নামা উচিত, কিন্তু ক্রিকেট জীবনের অংশ। প্রতিপক্ষও মাঝেমধ্যে অসাধারণ খেলবে। আজকে তাই আমিরাতকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।’

ব্যাটিং ব্যর্থতাই যে হারের মূল কারণ, সেটা খোলাসা করলেন লিটন নিজেই। উইকেট ও কন্ডিশন বিবেচনায় টাইগারদের রানটা আরও বড় হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

‘ব্যাটিংয়ে আমরা কিছু ভুল করেছি। এই উইকেটে আমরা যতটা রান আশা করেছিলাম, তা পাইনি।’

‘পরে শিশিরের কারণে বল করতেও কঠিন হয়ে উঠেছিল,’—যোগ করেন টাইগার অধিনায়ক।

তবে হতাশার মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক দেখছেন লিটন। তরুণদের নিয়ে আশাবাদী তিনি—‘পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম ভালো সূচনা দিয়েছে। কয়েকটি ম্যাচে জাকের ও হৃদয়ও রান করেছে। বোলিংয়েও মাঝের ওভারে কেউ কেউ ভালো করেছে। আমাদের আরও শিখতে হবে, সেই শিক্ষা ম্যাচে কাজে লাগাতে হবে।’

প্রতিপক্ষ আরব আমিরাতের প্রশংসা করতেও পিছপা হননি লিটন দাস। ‘তারা সত্যিই দুর্দান্ত খেলেছে। শুরুতে ভালো বল করায় আমরা ছন্দ হারিয়ে ফেলি। ব্যাটিংয়ে শিশির কিছুটা সাহায্য করলেও, তাদের সাহসিকতা ও স্থিরতাই আলাদা করে বলার মতো।’

এই সিরিজ হার বাংলাদেশের জন্য শুধুই লজ্জার নয়, বরং সতর্কবার্তা—বিশ্ব ক্রিকেটে ছোট দল বলে কাউকে হালকাভাবে নেওয়ার দিন শেষ। এখন প্রয়োজন আত্মসমালোচনা থেকে শিখে মাঠে বাস্তবায়নের। না হলে সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

তিন প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সচিব নিয়োগ দিল সরকার

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১০

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১১

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১২

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৩

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

১৪

জলাবদ্ধ সড়কে হাঁস ছেড়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ 

১৫

জাবি চিকিৎসা কেন্দ্র উন্নয়নে প্রশাসনের ৫ সিদ্ধান্ত

১৬

মেসি-ইয়ামালদের মহারণ কবে? জানা গেল সম্ভাব্য সময়

১৭

জাসদ-ছাত্রলীগ থেকে জামায়াত, এক ভিডিওতে সব হারালেন এমপি নজরুল  

১৮

হাতিরঝিলে শিশুসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধার করলেন আনসার সদস্য

১৯

আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ হত্যা: জবানবন্দি দিলেন আসামি

২০
X