স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৫৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

নেলসনে সিরিজে ফেরার চ্যালেঞ্জ শান্ত-মিরাজদের

নেলসন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। ছবি : সংগৃহীত
নেলসন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। ছবি : সংগৃহীত

দেশ ক্রিকেটে সুখবর এনে দিচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল আর নারী জাতীয় দল। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে রেকর্ড জয়ের পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের হাতছানি নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের। আর এশিয়ার শ্রেষ্ঠেত্বর মুকুট জিতে বীর বেশে দেশে ফিরেছি যুব দল। রাজসিক না হলেও বর্ণিল অভ্যর্থনা পেয়েছে যুবারা।

বিপরীতে ব্যাকফুটে জাতীয় পুরুষ দল। ভারত বিশ্বকাপ ভরাডুবির পর সিলেটে কিউইদের বিপক্ষে টেস্ট জিতলেও মিরপুরে হার। নিউজিল্যান্ডে ফিরতি সফর শুরু হয়েছে হার দিয়েই।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সাদা বলে কখনোই জেতা হয়নি বাংলাদেশের। এবারও সফর শুরু হয়েছে হার দিয়েই। ডানেডিনে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের দৈর্ঘ্য ৩০ ওভারে নেমে আসায় দুদলই খেলেছে টি-টোয়েন্টির মেজাজে। তবে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকা যথারীতি কিউইদের বিপক্ষে খাবি খেয়েছে শান্ত-মিরাজরা।

তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা লাল-সবুজদের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেলসনে। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়মিত চিত্র, হারলে কাঠগড়ায় উঠতে হয় ব্যাটারদের। আলাদা করে বললে, টপ অর্ডার ব্যাটারদের।

ওপরের দিকে কোনো ব্যাটার উইকেটে সেট হওয়ার পরও যদি বড় স্কোর করতে না পারেন, সেটার খেসারত দিতে হয় পুরো দলকেই। এই চিত্রটাই দেখা গেছে গত মাসে শেষ হওয়া ভারত বিশ্বকাপে। আর নিউজিল্যান্ড সফরেও ব্যতিক্রম হয়নি।

৩০-৪০ রানের বেশি লম্বা জুটি হয়নি। পরে এ নিয়ে আফসোস ঝরেছে প্রথম ওয়ানডেতে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করা এনামুল হক বিজয়ের কণ্ঠে। তিনি নিজেই বললেন, সবাইকে দায়িত্ব নিতেই খেলতে হবে বড় ইনিংস।

এটা বুঝতে পারলেও, কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটাররা সেটি করে দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন ম্যাচের পর ম্যাচ। বুধবার একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হলে এক ম্যাচ বাকি থাকতে আরেকটি সিরিজ পরাজয় নিশ্চিত হবে টাইগারদের।

ডানেডিন থেকে নেলসনে যাওয়ার পথে লিটন-শান্তদের মুখে দেখা যায় হাসি। ম্যাচের পর সেই হাসি ধরে রাখতে হলে হাসি ফেরাতে হবে তাদের ব্যাটে। অবশ্য নেলসনেও বাংলাদেশ কখনো হাসতে পারেনি জয়ের হাসিতে।

২০১৬ সালে এই ভেন্যুতে দুই ওয়ানডে খেলা বাংলাদেশ্ দুটিতেই হেরেছে বড় ব্যবধানে। এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা, এই দলের কেবল মুস্তাফিজুর রহমানের আছে। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর খেলা ম্যাচে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে হারলেও উজ্জ্বল ছিল বাঁহাতি এই পেসারের পারফরম্যান্স।

৩.৪২ ইকোনমিতে ২ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার ছিলেন তিনি। এই বাঁহাতি পেসার নিশ্চয়ই কিছু উপায় বাতলে দেবেন সতীর্থদের। তবে জয়ের জন্য মূল কাজ করতে হবে ব্যাটারদেরই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুলাউড়া পৌর বিএনপির কমিটি স্থগিত

সারা অ্যাডভারটাইজিংয়ের এমডি আনোয়ার হোসেন মিন্টু আর নেই

লক্ষ্মীপুরে ১৬ নেতার পদত্যাগের পর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত 

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নে নতুন নীতিমালা

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

এক অগ্নিকাণ্ডেই ভেঙে গেল ৬ পরিবারের স্বপ্ন

কওমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে, অভিযোগ হেফাজতের

স্কুলছাত্র সোহান হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষ পদে শেখ রফিকুল ইসলামের যোগদান

ডিজিটাল ব্যাংকিং যুগে পদার্পণ করল আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক

১০

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৪,৩৩৩

১১

৮৪ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

১২

ঢাকা-চট্টগ্রাম ‎মহাসড়কে চলন্ত স্ক্র্যাপবোঝাই লরিতে আগুন

১৩

তৃতীয় লিঙ্গ নিয়োগ পেল বরিশাল সিটি করপোরেশনে 

১৪

মেয়েকে পরীক্ষার হলে দিয়ে মসজিদে যাওয়ার পথে বাবার পা বিচ্ছিন্ন

১৫

অনলাইন এডিটরস ফোরামের আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার

১৬

সীমান্তে আটক ৩ ভারতীয়কে ফেরত পাঠাল বিজিবি

১৭

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা নিয়ে যা জানা গেল

১৮

তদবির-উৎকোচ ছাড়া সরকারি চাকরি পাওয়ার নজির ছিল না, দাবি প্রতিমন্ত্রীর

১৯

২ কিডনি বিকল মাহিনের, সন্তানের জীবন বাঁচাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে মা

২০
X