কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

৩ মুসলিম দেশের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত সুদানের যোদ্ধারা

সুদানের বাস্তুচ্যুত জনগণ। ছবি: সংগৃহীত
সুদানের বাস্তুচ্যুত জনগণ। ছবি: সংগৃহীত

সুদানের গৃহযুদ্ধে দুই বছরেরও বেশি সময় পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কথা জানিয়েছে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি তিন মুসলিম দেশ এতে মধ্যস্থতা করেছে।

বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘কোয়াড’ মধ্যস্থতাকারী গোষ্ঠীর প্রস্তাবিত‘যুদ্ধবিরতি’ মেনে নিতে তারা প্রস্তুত। এই গোষ্ঠীতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি রয়েছে সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আরএসএফ বলেছে, এই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক পরিণতি মোকাবিলা করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা জোরদার করা। তবে সুদানের সরকারি সেনাবাহিনী (এসএএফ) এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের আরব ও আফ্রিকাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাসাদ বোলুস এর আগে জানান, উভয়পক্ষ নীতিগতভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আমরা এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক আপত্তি পাইনি।

আল জাজিরার খার্তুম প্রতিনিধি হিবা মর্গানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি তিন মাস স্থায়ী হবে এবং তা পরবর্তী সময়ে একটি রাজনৈতিক সমাধানের পথ প্রশস্ত করতে পারে, যার মধ্যে নতুন বেসামরিক সরকার গঠনের বিষয়টিও রয়েছে।

তিনি জানান, আরএসএফ বলছে তারা এই দুই বছরের সংঘাতের অবসান চায়। তবে সেনাবাহিনী বারবার জানিয়েছে, তারা লড়াই চালিয়ে যেতে চায় এবং আরএসএফ সদস্যদের পুনরায় সমাজে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয় বলে মনে করে।

সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যস্থতা চায় না এবং যুদ্ধবিরতির আগে আরএসএফকে দখলকৃত শহরগুলো থেকে সরে যেতে হবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, আমরা শত্রুকে পরাজিত করার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। শিগগিরই আমরা নিহত ও নির্যাতিতদের প্রতিশোধ নেব।

অন্যদিকে, আরএসএফের বিরুদ্ধে উত্তর দারফুরের এল-ফাশের শহর দখলের পর ব্যাপক গণহত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওই অঞ্চল থেকে ইতিমধ্যে ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ পালিয়ে গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, শহর দখলের সময় একটি শিশু হাসপাতালের অন্তত ৪৬০ রোগী ও চিকিৎসক নিহত হন। বর্তমানে আরএসএফ দারফুর ও দক্ষিণ সুদানের কিছু অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে, আর সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে রেখেছে দেশটির উত্তর, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান আসামি রিমান্ডে

১৭ দিন ধরে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী, দিশাহারা বাবা-মা

আসিয়ানের পক্ষে রাশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন লাভরভ

ব্রাহ্মণপাড়ায় বেহাল সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ

সন্ধ্যার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই  

দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত

পরস্পরকে দুর্বল করছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, তামাশা দেখছে ইসরায়েল

ডিআর কঙ্গোতে দ্রুত ছড়াচ্ছে ইবোলা, নিয়ন্ত্রণ না করলে ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা

১০

ভাড়া বাসা থেকে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১১

সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি কমছে

১২

সরিষাবাড়ী পৌরসভায় তীব্র পানি সংকট, বিপর্যস্ত জনজীবন

১৩

সরকারি খালে ৫৮ অবৈধ বাঁধ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে অপসারণ ৯

১৪

গায়ানায় ফেরি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১

১৫

বেলিসিমো রোটনডো নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে কাজী ফুডের ব্যাখ্যা

১৬

‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ বলে শিক্ষার্থীকে বলাৎকার মাদ্রাসা শিক্ষকের 

১৭

সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে ট্রাম্পের অনুমোদন

১৮

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে দেখতে চান ট্রাম্প

১৯

জ্বালানি তেল সংকটের গুজবে রাজশাহীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড়

২০
X