কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিক্ষোভে অনুপ্রবেশকারীর ঢুকে পড়েছে, দাবি নেপালের জেন-জিদের

নেপালের পার্লামেন্ট ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন দেওয়ার চিত্র, ছবি: সংগৃহীত
নেপালের পার্লামেন্ট ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন দেওয়ার চিত্র, ছবি: সংগৃহীত

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু জুড়ে টহল দিচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। কয়েক দশকের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে নেপালে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিসংতার পর শহরজুড়ে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। খবর বিবিসি

সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বিক্ষোভকারীরা সরকারি বাসভবন ও পার্লামেন্টে হামলা চালানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের মারধর করেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে চাপে পড়ে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।

বিক্ষোভের আহ্বান জানানো ‘জেন জি’ বর্তমান পরিস্থিতি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। তারা দাবি করেছে, যে উদ্দেশ্যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল তা বিরোধীপক্ষ ও সুবিধাবাদীরা হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে।

বুধবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে শান্ত পরিবেশ দেখা গেলে পুড়ে যাওয়া ভবন থেকে ধোঁয়া উড়তে এবং রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া যানবাহনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশব্যাপী কারফিউ জারি করেছে সেনাবাহিনী। সতর্ক করে তারা জানিয়েছে, যদি কেউ এখন সহিংসতা এবং ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগের পর পরিস্থিতি শান্ত রাখতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় নেপালে বিক্ষোভ শুরু হয়। সোমবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়। পরে মঙ্গলবার এ ঘটনা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং এটি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। তবে অনেক বিক্ষোভকারী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এই বিক্ষোভে অনেক অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে।

গতকাল নেপালের জেন-জির আয়োজিত বিক্ষোভে সরকারের কাছে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়। তারা জানায়, এই বিক্ষোভ ছিল পুরোপুরি সহিংসতা মুক্ত এবং তা এখনো অব্যাহত আছে।

জেন-জি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়া বুধবার তাদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি রাখা হয়নি। এজন্য তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে কারফিউ বাস্তবায়নের দাবি জানায়।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেট বিবিসিকে বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা চালাচ্ছি। বিশেষ করে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনা বন্ধে কাজ করে যাচ্ছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন নাগরিককে ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী

বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করল অপ্টা

জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার / রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা ও নিজের পালিয়ে যাওয়ার বর্ণনায় যা জানালেন সোহেল

যুদ্ধবিরতির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলা 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে বিভক্তি না করার আহ্বান ইরানের

লেবাননের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আশা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

বাবা ও দাদির কবরের ফুলগাছ চুরি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবকের

নয়াদিল্লির আগুনে বাংলাদেশি দুই পরিবারের ৯ সদস্য আহত

প্রেমিকার অভিমানে মোটরসাইকেলে আগুন, রহস্য খুঁজছে পুলিশ

১০

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

১১

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার দায় নিল না ইরান

১২

আদালতে জবানবন্দিতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা ঘাতক সোহেলের

১৩

পাথর হতে পারে গলাতেও, অদ্ভুত এই সমস্যার লক্ষণ জানালেন চিকিৎসক

১৪

চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা : অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

১৫

অঝোরে কাঁদছেন স্বপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘাতক সোহেল

১৬

বিআইডব্লিউটিএর নতুন চেয়ারম্যান মুহিদুল ইসলাম

১৭

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

১৮

যুদ্ধবিরতির আশায় কমলো জ্বালানি তেলের দাম

১৯

বৈশ্বিক তেলের বাজারে চাপ কমাতে ভূমিকা রাখছে চীন

২০
X