কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:২৫ পিএম
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:৩৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেন যুদ্ধের শেষ কোথায়

ইউক্রেন যুদ্ধের শেষ কোথায়
ছবি : সংগৃহীত

এক এক করে তিন বছরে পা দিতে যাচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এরই মধ্যে রণক্ষেত্রে বিশাল একটি অংশ হারিয়েছে কিয়েভ। লাগাতার যুদ্ধে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে জেলেনস্কির বাহিনী। যদিও দেশটির পূর্বাঞ্চলে এখনো রুশ সেনাদের অগ্রগতি ঠেকিয়ে রাখছে ইউক্রেনের সেনারা। তবে কুরাখোভ শহরের কাছে রুশ অবস্থান দ্বারা আটকা পড়েছে অনেক সেনা।

অন্যদিকে আগামী মাসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে যুদ্ধবিরোধী ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণ কিয়েভের সামরিক সহায়তাকে আরও সংকুচিত করার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে আরও এক বছর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে কি ইউক্রেন?

রুশ সামরিক অভিযানের পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া ৩১ বছর কমান্ডার সুরাত ভয়েস অব আমেরিকাকে জানান, যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখন তিনি মনে করেছিলেন এটি তিন বছর চলতে পারে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এ যুদ্ধ আগামী ১০ বছর লড়তে হবে। যদিও ট্রাম্পের যুদ্ধ বন্ধের ইচ্ছাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না সুরাত, তবে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে অনেক কাঠখর পোড়াতে হবে বলে মনে করেন এই সেনাসদস্য।

সুরাত জানান, তিনি খুবই বাস্তবিকভাবে চিন্তা করতে চান। এখানে ইউক্রেনের জন্য কোনো ন্যায়বিচার অপেক্ষা করছে না। তবে তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে চান বলেও জানান।

আরেক সেনাসদস্য জানান, আলোচনার মাধ্যমে কেবল যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামতে পারে, তবে আগামী এক দুই বছর পর তা আবারও ইউক্রেনের ঘাড়ে ফিরে আসবে। ইউক্রেনের এক সেনা জানান, ইউক্রেনবিহীন পৃথিবীতে বেচে থাকার পরিবর্তে তিনি জয়ের জন্য মৃত্যুকে বরণ করতেও রাজি আছেন।

ইউক্রেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ডেনিপ্রোতে ক্রামগত রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে চলছে। সেখানকার বাসিন্দারা জানান, ইউক্রেনের উচিত এখনই যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনায় আসা। এমনকি বিভিন্ন জরিপে নাগরিকরা যুদ্ধের পরিবর্তে আলোচনাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। বিশেষ করে নারীরা মনে করছেন এই যুদ্ধে সামরিকভাবে কেউ জয়ী হতে পারবে না।

বলা হচ্ছে, উভয় পক্ষের আলোচনায় ইউক্রেনের নারীদের সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, যারা যুদ্ধে তাদের বাবা, ভাই, স্বামী ও সন্তানদের হারিয়েছেন। এমনকি শান্তির জন্য ইউক্রেনকে তার ভূমি ত্যাগ করতে হতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বান্দরবানে ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই: জেলা প্রশাসন

দেশের ১৩ জেলায় রাতের মধ্যে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি সক্রিয় : অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে যুবদলের বিক্ষোভ

পাকিস্তান সফরে ইরানের শীর্ষ নেতারা

আওয়ামী লীগের ১৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে হবে: নেতানিয়াহু

পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের

১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

‘সোমেশ্বরী’ সিনেমা দিয়ে নির্মাণে নাম লেখালেন নওশাবা

১০

ডেঙ্গু মোকাবিলায় টাস্কফোর্স গঠন, নেতৃত্বে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

১১

কওমিপড়ুয়া আলেমদের জন্য বড় সুখবর

১২

পৌরসভার সাবেক মেয়রকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মী ও স্বজনরা

১৩

জাবির নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার গ্রেপ্তার

১৪

নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরালের পর বরখাস্ত হলেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা

১৫

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি 

১৬

‘১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ হবে’

১৭

অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়ক / ১৮ বছরের দুর্নীতির ছায়ায় ১১ বছরের জনদুর্ভোগ

১৮

ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা / বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি: জামায়াত

১৯

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৬

২০
X