কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবিরতির পরদিনই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা

ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত লেবাননের একটি এলাকা। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত লেবাননের একটি এলাকা। ছবি : সংগৃহীত

যু্দ্ধবিরতির পরদিনই লেবাননে হামলা করেছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দক্ষিণ লেবাননের ছয়টি এলাকায় এ হামলা হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

বিষয়টি ইসরায়েলও স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তবে তাদের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনী এ হামলা করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, ‍যুদ্ধবিরতির মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ‘সন্দেহভাজন’ ব্যক্তিরা জড়ো হচ্ছিলেন। তাদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে আগেই হামলা করে নেতানিয়াহুর বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েল নয় বরং যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

এর আগে বুধবার থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় শান্তির আশাবাদ জানিয়েছিলেন।

যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবানন থেকে নিজেদের সেনা সরিয়ে নিতে ৬০ দিন সময় পাবে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালাতে পারবে না। বৃহস্পতিবার লেবাননে অবস্থান করা বাহিনীই হামলা করে।

এদিকে যুদ্ধবিরতিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন দেশটির বাসিন্দারা, পাশাপাশি নিজেদের ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন তারা। নতুন হামলায় তাদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘরে ফেরার ব্যাপারে সতর্ক করেছে। তবে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ দক্ষিণ লেবাননে পাড়ি দিয়েছে।

লেবাননের স্পিকার নাবিহ বেরি বাসিন্দাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে তিনি বলেন, আমি আপনাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানাচ্ছি।

টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তকে নাবিহ বলেন, ধ্বংসস্তূপের ওপর বসবাস করতে হলেও আপনারা নিজেদের ভূমিতে ফিরে আসুন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আর্জেন্টিনা বিজয়ী হওয়ায় মাথা ন্যাড়া করলেন ব্রাজিলের সমর্থক

সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তায় ৯টি প্রাণ

স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হচ্ছে দুই মেগা প্রকল্প

ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো পর্তুগালকে

একই দিনে চট্টগ্রামে দুই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়

১০

‘বাজেট বা জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না’

১১

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে ভাইরাল সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

১২

সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের পোস্টারিং

১৩

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু 

১৪

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ

১৫

টানা তিন মাস সেরা ডিএমপির মিরপুর বিভাগ

১৬

সিলেটে সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই মানবিকতা, ভারতীয় কৃষককে ফেরত দিল বিজিবি

১৭

স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে 

১৮

মেসির বিতর্কিত ফাউল ও লাল কার্ড বিতর্ক, যা বলছে ফিফার নিয়ম

১৯

পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : আইনমন্ত্রী

২০
X