শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫১ পিএম
আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে ইসরায়েল

জানুয়ারি মাসে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর গাজা উপত্যকা। ছবি : সংগৃহীত
জানুয়ারি মাসে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর গাজা উপত্যকা। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার বিষয়ে আবারও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে হামাস। এই প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল ঘোষণা দিয়েছে, তারা কাতারের রাজধানী দোহায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে।

রোববার (৯ মার্চ) আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে হামাসের প্রতিনিধিরা। সেই বৈঠকে সংগঠনটি গাজায় শর্তহীন মানবিক সহায়তা প্রবেশের ওপর জোর দেয়।

হামাসের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলটি জানিয়েছে, তারা দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে এবং এই আলোচনার মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় যেতে প্রস্তুত। কারণ, আলোচনার এ ধাপ সফল হলে তা গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করতে পারে।

একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের চুক্তিতে হামাস কয়েকটি প্রধান দাবি উপস্থাপন করেছে : গাজা থেকে পুরোপুরি ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে হবে। ফিলিস্তিনিদের ওপর আরোপিত অবরোধ সম্পূর্ণরূপে তুলে নেওয়া। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

হামাসের মুখপাত্র আবদেল লতিফ আল কানুয়া বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের দাবিগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর সোমবার (১০ মার্চ) ঘোষণা করেছে, দোহায় তারা তাদের প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে। তবে ইসরায়েল প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

প্রথম ধাপের ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি গত ১ মার্চ শেষ হয়। ওই সময়ে হামাস ২৫ জিম্মিকে জীবিত এবং আটজনের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল এক হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদি ইসরায়েল ও হামাস কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপি নেতার আবেদন

এশিয়ার সর্বপ্রথম মেডিকেল অ্যানাটমি লার্নিং অ্যাপ ভার্চুকেয়ারের উদ্বোধন করলেন সাকিফ শামীম

ছাত্রদল ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর : মান্নান

মনোনয়নপত্র নিয়ে যে বার্তা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল

গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

খালেদা জিয়া কখনো জোর করে ক্ষমতায় থাকেননি : খায়রুল কবির

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে : সেলিমুজ্জামান

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

১০

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

১১

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

১২

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

১৩

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

১৪

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

১৫

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

১৬

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

১৭

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

১৮

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১৯

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

২০
X