কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম
আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কে বারবার ভূমিকম্পের আঘাত, কারণ কী

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভূমিকম্পের কোনো পূর্ব সতর্কবার্তা না থাকায়, মুহূর্তেই সব কিছু লন্ডভন্ড করে দিতে পারে। চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিকবার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানিও ঘটে। বিশ্বে যেসব দেশে বেশি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে সেই তালিকায় রয়েছে মুসলিম দেশ তুরস্ক। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- প্রতি বছর তুরস্কে অন্তত ২৫ হাজার বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

এ হিসেবে তুরস্কে প্রতিদিন গড়ে শতবার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে এর মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকম্পের মাত্রা অনেক কম। গত ১০ মাসে দেশটিতে অন্তত চারটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার মধ্যে গতকাল সোমবার আঘাত হানা ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মুসলিম দেশ তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল ২০২৩ সালে। ৭.৮ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে দেশটিতে ৫৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ধসে পড়ে শত শত বাড়িঘর। এ অবস্থায় ঘুরে ফিরে একটি প্রশ্নই সামনে আসে যে, তুরস্কে কেন বারবার এত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

গবেষকরা বলছেন, তুরস্কের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই এত ভূমিকম্প। দেশটি এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত যা পৃথিবীর ভূত্বকের সবচেয়ে সক্রিয় ভূ-কম্পন অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম। তুরস্কের নিচে বেশ কয়েকটি ভূতাত্ত্বিক ফল্ট লাইন রয়েছে। এর মধ্যে বড় দুটি ফল্ট লাইন হলো- উত্তর আনাতোলিয়ান ও পূর্ব আনাতোলিয়ান ফল্ট। এই দুটি বিশাল ভূ-ফাটল হলো ইউরেশীয় ও আরবীয় টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষস্থল। এই ফল্টগুলোতে তীব্র চাপ জমা হলে প্লেটগুলো হঠাৎ সরে গিয়ে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। আবার আরবীয় প্লেট ধীরে ধীরে উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে, ফলে তুরস্ক ইউরেশীয় প্লেটের দিকে চাপ খাচ্ছে। এই চাপ জমে গিয়েও ভূমিকম্প তৈরি করছে।

তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২০ সালে দেশটিতে ৩৩ হাজারের বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। যার মধ্যে ৪ মাত্রা বা তার বেশি স্কেলের ভূমিকম্প ছিল ৩২২টি। তুরস্কে ২০২৩ সালের আগে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। ওই ভূমিকম্পে ১৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয় ৪৩ হাজার মানুষ।

কালবেলা/এএএম/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২১ দিনে জাবির মেডিকেল সেন্টার থেকে উধাও সাড়ে ১৯ হাজার ওষুধ

প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের

‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন, বাঁধ ভাঙছে’

প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৪২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ভারতে পাচারের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৬৫ কচ্ছপ জব্দ, সালদা নদীতে অবমুক্ত

মহাকবি কায়কোবাদ স্মরণে নবাবগঞ্জে ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

সারাদেশে খাল খননের নামে বালু-মাটি লুটপাট করা হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

গোয়ালন্দে ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে বন্ধ ওজন কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ট্রাকচালকরা

নড়াইল জেলা ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র আহ্বায়ক জাকারিয়া, সদস্যসচিব সাগর

স্কুলে যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

১০

নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে ববি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১১

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

১২

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

১৩

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

১৪

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

১৫

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

১৬

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

১৭

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

১৮

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

১৯

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

২০
X