কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় শীতের দাপটে ৮ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে নতুন বিপদ হিসেবে তীব্র শীত, প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্দশা আরও তীব্র হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের একজন মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একটি এক বছর বয়সী শিশু ডেইর আল বালাহর আল আকসা শহীদ হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁবুতে মারা যায়। ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার মঙ্গলবার বলেছেন, এই শীতকালে এখন পর্যন্ত ছয়জন শিশু হাইপোথার্মিয়ায় (শরীরের অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগায়) মারা গেছে।

অন্যদিকে, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনধসে পড়ায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। গাজা সিটির রেমাল এলাকায় আল শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, একটি ভবনধসে পড়লে তিনজন নিহত হন, যাদের মধ্যে একজন ১৫ বছরের কিশোরী মেয়ে। আরেকটি পৃথক ঘটনায় গাজা সিটিতে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল সতর্ক করে বলেছেন, এই ঝড় গাজার জনগণের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। যুদ্ধের কারণে অধিকাংশ মানুষ পর্যাপ্ত আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে এবং ইসরায়েলের অব্যাহত নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রয়োজনীয় আশ্রয় সামগ্রী, তাঁবু ও অন্যান্য সরঞ্জাম প্রবেশ করতে পারছে না।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ইসরায়েল এই চুক্তি লঙ্ঘন করে মানবিক সহায়তা ও গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, গাজার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়ে বাস করছেন, যা শীত ও ঝড়ের মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে, ইউএনের তথ্য অনুসারে, সাম্প্রতিক ঝড়ে হাজার হাজার তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত বা উড়ে গেছে এবং যুদ্ধ-ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো আরও ভেঙে পড়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতিকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং অবিলম্বে আশ্রয় সামগ্রী ও সহায়তা প্রবেশের দাবি জানিয়েছে।

কালবেলা/এএএম/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ পার্টির

অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জামায়াত নেতার পদত্যাগ

বোয়েসেলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন রাশেদুল হক

ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের সহায়তায় সেনা ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে ইরান

কাঁচা মরিচের ঝাঁজে অস্থির বাজার, সবজির দামে সেঞ্চুরি

নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

বন্যা মোকাবিলায় নির্ভুল পূর্বাভাস ও পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রথম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সাতক্ষীরা-৪ কি হাতছাড়া হচ্ছে জামায়াতের?

১০

সংঘবদ্ধ সাইবার হয়রানির শিকার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

১১

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

১২

রয়টার্সের প্রতিবেদন / পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি

১৩

নিজ বেতনের টাকায় জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১৪

বিজয়ের সিনেমা দেখতে গিয়ে নাজেহাল তৃষা কৃষ্ণান

১৫

ইরানে টানা ১৩তম রাতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১৬

কুষ্টিয়া সীমান্তে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

১৭

পরিত্যক্ত কাভার্ডভ্যানে মিলল সোয়া ৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য

১৮

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু, দুপুরে দেশে ফিরছেন স্পিকার

১৯

ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়: শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে শচীন

২০
X