কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৪, ১০:৫১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক ছাড়া গাজা সংকটের সমাধান হবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ইসরায়েলি হামলার পর গাজার আকাশে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলার পর গাজার আকাশে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি : সংগৃহীত

তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তির ভূমিকা ছাড়া ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যে সংকট চলছে তার সমাধান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আঙ্কারায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফ ফ্লেক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এমএসএনবিসিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। খবর দ্য ডেইলি সাবাহর।

জেফ ফ্লেক বলেছেন, তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তির ভূমিকা ছাড়া গাজায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে পৌঁছানো কঠিন।

তিনি বলেন, ৯৭ শতাংশ মুসলমানের দেশ হিসেবে স্পষ্টতই ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের গভীর ভ্রাতৃত্বের একটি সম্পর্ক রয়েছে। তাই গাজায় ইসরায়েল যা করছে তা নিয়ে তারা কঠোর সমালোচনা করছে।

গত অক্টোবরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই স্বাধীন ফিলিস্তিনসহ একটি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বড় সমর্থক তুরস্ক। এই সময় গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে একতরফা সমর্থন দিয়ে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করছে দেশটি। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহু প্রশাসন যুদ্ধাপরাধ করছে। আর এই কাজে তাদের সহায়তা করছে পশ্চিমা বিশ্ব।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে শতাধিক বন্দি আছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া সেখানে এই পর্যন্ত আহত হয়েছে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ। গাজার প্রায় শহর-নগরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে এখন রাফা শহরের দিকে চোখ পড়েছে দেশটির।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রথমার্ধেই জাপানের দাপট, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শঙ্কায় তিউনিসিয়া

রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, আটক ১০

‘সবার আগে পরিবার’  / ইরানের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই বেলজিয়াম শিবিরে দুঃসংবাদ

এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক: রাশেদ খাঁন 

মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

মাদ্রাসা ছাত্রীকে নিয়ে উধাও শিক্ষক

কেমন থাকবে আজকের ঢাকার আবহাওয়া

সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মারা গেছেন

গোলের আনন্দ থেকে সবুজের বার্তা: বিশ্বকাপ ঘিরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

কুমিল্লা বিসিকে তৈরি হচ্ছিল অবৈধ ওষুধ, মালিক আটক

১০

লন্ডনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩

১১

সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

১২

দাম কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

১৩

ছাগল উদ্ধারে গিয়ে নিহত ৪: পরিবারের পাশে আইসিটি মন্ত্রী

১৪

ভাঙল রেকর্ড, ব্রাজিলকেও ছাড়িয়ে গেল নেদারল্যান্ডস

১৫

২১ জুন / আজকের নামাজের সময়সূচি

১৬

১৩ বছর আগের হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

১৭

কানাডায় মসজিদের ইমামের ওপর হামলা

১৮

২০০ বছরে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সংযোগ কমেছে ৬০ শতাংশ: গবেষণা

১৯

‘ইতিহাস সাক্ষী আওয়ামী লীগ ইসলাম ও দেশের চিরশত্রু’

২০
X