

কেরানীগঞ্জের মুগারচরে ৪৫ দশমিক ৮৮ একর জমিতে নতুন বিসিএস প্রশাসন একাডেমি নির্মাণ করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। চলতি বছর শুরু হয়ে ২০২৯ সালে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। তবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবের (ডিপিপি) তথ্য অনুযায়ী, একাডেমি হবে ফাইভ স্টার মানের বিলাসি কমপ্লেক্স। এতে থাকবে নারী-পুরুষের জন্য বিপুল ব্যয়ে নির্মিত পৃথক সুইমিংপুল; ভবনে থাকবে ৪৫টি লিফট, মসজিদেও থাকবে চলন্ত সিঁড়ি। আরও থাকবে জিমনেসিয়াম, ইনডোর গেমস ও ফিটনেস কেন্দ্র, ভিআইপি রেস্ট হাউস, রেক্টরের বাংলো, রিসোর্ট স্টাইলের ডাইনিং ও বিলাসবহুল আসবাব। এ ছাড়া প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ২ হাজার ৫৫৫টি এয়ারকুলার, ১৪টি গাড়ি, পার্ক, ফাউন্টেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নদী রক্ষা ও জলযান। প্রশাসন একাডেমিতে একসঙ্গে ৫০০ জন প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে পুরো অর্থ দেবে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বর্তমানে ৯টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) নতুন ভবন নির্মাণ ও সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। ২০২১ সালে কক্সবাজারের টেকনাফের বনভূমিতে ৭০০ একর জমিতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমি’ করতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এরপর ২০২৪ সালে কেরানীগঞ্জে নতুন কেন্দ্র ‘বঙ্গবন্ধু বিসিএস প্রশাসন একাডেমি’ স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই প্রকল্প আর এগোয়নি। তবে পুরোনো সেই প্রকল্প ঘষামাজা করে ব্যয় বাড়িয়ে আবার নতুন করে তোলা হচ্ছে। শুধু প্রকল্পের নামের ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু বিসিএস প্রশাসন একাডেমি’র পরিবর্তে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি বর্ধিত ক্যাম্পাস নামে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকার পরও ফাইভ স্টার মানের আরও একটি প্রকল্প হাতে নেওয়ায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি অর্থ অপব্যয় করতেই এ আয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন প্রকল্প না নিয়ে ৯টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানো যেত। তাহলে এত টাকার দরকার হতো না।
নতুন প্রকল্পের ডিপিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নদী রক্ষামূলক বাঁধ হবে ৮৫৭ মিটার; ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা, প্রতি মিটারের জন্য খরচ হবে প্রায় ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৫ টাকা। ভূমি উন্নয়নের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হবে ১ হাজার ২১৫ মিটার; ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২ কোটি ২০ লাখ টাকা, প্রতি মিটারের জন্য খরচ হবে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ টাকা। প্রশিক্ষণার্থীদের চরাঞ্চলে ব্যবহারের জন্য একটি জলযান কেনা হবে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এ ছাড়া একটি প্রশাসনিক ভবন ৬ তলা, একটি একাডেমিক ভবন চারতলা, একটি অডিটোরিয়াম দোতলা, ৭৫০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চারতলা একটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, চলন্ত সিঁড়িসহ একটি তিনতলা মসজিদ, রেক্টরের জন্য দোতলা বাংলো, ভিআইপি গেস্ট হাউস তিনতলা, এমডিএস ও পরিচালকদের আবাসিক ভবন ৯ তলা, উপ-পরিচালকদের জন্য দুটি ১২ তলা ভিত্তিবিশিষ্ট বাসভবন, পুরুষ প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুইমিংপুলসহ একটি ডরমিটরি ১৪ তলা, নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুইমিংপুলসহ একটি ডরমিটরি ১৪ তলা, কর্মচারীদের তিনটি বাসভবন ৯ তলা, কর্মচারীদের জন্য একটি ডরমিটরি ৬ তলা (৮ তলা ভিত্তি), একটি জিমনেসিয়াম, ইনডোর বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, যোগাসন ও ফিটনেস সেন্টার, একটি মেডিকেল সেন্টার ও ক্লিনিক ৩ তলা, একটি কনভেনশন সেন্টার ও ডাইনিং ভবন ৩ তলা, একটি পুলিশ ব্যারাক দোতলা, একটি ব্যাংক ও কনভেনিয়েন্ট স্টোর, প্রিন্ট শপ ও সেলুন-বিউটি শপ দোতলা, একটি ওয়্যারহাউস ও রিপেয়ার শপ দোতলা, একটি রিক্রিয়েশন সেন্টার দোতলা, একটি ট্রান্সপোর্ট শেড, বাস পার্কিং ও ফায়ার স্টেশন দোতলা, দুটি লন টেনিস কোর্ট, দুটি ব্যাডমিন্টন কোর্ট, একটি ফুটবল মাঠ, একটি পার্কিং লট, একটি এসটিপি, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন, সাব-স্টেশন একতলা। ডিপিপিতে আরও উল্লেখ আছে, মাটি পরীক্ষা ও ডিজিটাল জরিপে খরচ হবে ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা, মান নিশ্চিতকরণ কাঁচামালের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষায় খরচ ৫ কোটি টাকা, পরামর্শক ব্যয় ১০ কোটি টাকা, কমিটির সদস্যদের সম্মানী ২০ লাখ, বইপত্র ও সাময়িকী ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ডিপিডিসি বা ডেসকোর চার্জ ৭ কোটি ৩০ লাখ, ফায়ার বা ইএলবির অনাপত্তিপত্র ৫ লাখ টাকা, প্রকল্প এলাকার নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যদের ব্যয় ১ কোটি টাকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ৪ কোটি ৩৬ লাখ, পাঁচটি যানবাহন ভাড়া ৩ কোটি, ক্রোকারিজ, কাটলারিজ ও সার্ভিং ট্রলি, ডিশ ওয়ার, ওয়াশিং কনভেয়ার বেল্ট বাবদ খরচ হবে ৫ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণসহ ৪৫ দশমিক ৮৮ একর জমির জন্য ব্যয় হবে ১৬৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ১১ হাজার ১৮৯ দশমিক শূন্য ৬ বর্গমিটার ৪ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের ব্যয় ৭১ কোটি ২৬ লাখ; ৪ হাজার ৬৯ দশমিক ৭৬ বর্গমিটার দোতলা অডিটোরিয়াম নির্মাণ ব্যয় ৫৩ কোটি ২৮ লাখ; ৫ হাজার ৪২৭ দশমিক ৩৮ বর্গমিটার চারতলা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি নির্মাণ ব্যয় ৩৩ কোটি ৮০ লাখ; ৭ হাজার ৩০ দশমিক ৭৮ বর্গমিটারের তিনতলা কেন্দ্রীয় ডাইনিং ও কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ ব্যয় ৪৮ কোটি ২৭ লাখ; ১ হাজার ৬ দশমিক ৮১ বর্গমিটারের দোতলা রেক্টরের বাংলোর নির্মাণ ব্যয় ১০ কোটি ৫১ লাখ, এমডিএস ও পরিচালকদের ৩ হাজার ৫৫৯ দশমিক ২৭ বর্গমিটারের ১২ তলা ভবনের নির্মাণ ব্যয় ২২ কোটি ৮৩ লাখ; উপ-পরিচালকদের ৮ হাজার ৮৮৮ দশমিক ২৮ বর্গমিটার দুটি ১২ তলা ভবনের নির্মাণ ব্যয় ৫১ কোটি ২৭ লাখ; ৪ হাজার ১২২ দশিমিক ৪৫ বর্গমিটার ছয়তলা স্টাফ ডরমিটরি ভবনের নির্মাণ ব্যয় ২৫ কোটি; ১ হাজার ৫০ বর্গফুট দুটি ৯ তলা কর্মচারীর ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় ৫০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা; ১ হাজার ২৫০ বর্গফুট ৯ তলা একটি কর্মচারীর ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় ১৪ কোটি ১০ লাখ, নারী ও পুরুষ কর্মকর্তাদের জন্য ১৪ তলা আলাদা ডরমিটরির নির্মাণ ব্যয় ১৭২ কোটি; ২ হাজার ৩১৩ দশমিক ৯৭ বর্গমিটারের তিনতলা মেডিকেল সেন্টারের নির্মাণ ব্যয় ১৬ কোটি; বেসমেন্ট ও চলমান সিঁড়িসহ কেন্দ্রীয় মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা; ৯৪৮ দশমিক ২৪ বর্গমিটারের দোতলা পরিবহন শেডের নির্মাণ ব্যয় ৯ কোটি ৫৩ লাখ, ১ হাজার ৪৮৬ দশমিক ৬৭ বর্গমিটারের দোতলা রিক্রিয়েশন সেন্টারের নির্মাণ ব্যয় ১২ কোটি ৭৯ লাখ; ২ হাজার ২৬৩ দশমিক ৩০ বর্গমিটারের তিনতলা ভিআইপি রেস্ট হাউসের নির্মাণ ব্যয় ১৬ কোটি ৯৩ লাখ; ১ হাজার ৫৬৮ দশমিক শূন্য ৮ বর্গমিটারের দোতলা পুলিশ ব্যারাকের নির্মাণ ব্যয় ১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
এ ছাড়া বহিস্থ স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহের ব্যয় ধরা হয়েছে ভূগর্ভস্থ জলাধার ৬৩ হাজার গ্যালন ৭ কোটি ৪৪ লাখ, গভীর নলকূপ স্থাপন ও পাইপ নেটওয়ার্কিংসহ ৭ দশমিক ৫ কোটি, সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও ইনসিনারেশন প্লান্ট চারটি ১১ কোটি, পানি পরিশোধনাগার ২ কোটি, সিউয়েজ ও অন্যান্য ময়লা পানির ড্রেইন পিট ও পিটের ঢাকনা ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৯ দশমিক ৩৩ বর্গমিটারের দুইতলা কনভেনিয়েন্স স্টোর ও ব্যাংক; ১ হাজার ৬০৯ দশমিক ৯৮ বর্গমিটার দুইতলা একটি ওয়ারহাউস ও মেরামতের নির্মান ব্যয় ১২ কোটি ৩৭ লাখ; ১ হাজার ১৮৭ দশমিক ২৯ বর্গমিটার রিসার্চ সেন্টার ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন দুইতলা ভবন ১০ কোটি, ১৫ হাজার ৪৬ দশমিক ২৬ বর্গমিটারের ইনডোর গেমস ফিটনেস সেন্টারসহ তিন তলার নির্মাণ ব্যয় ১০৬ কোটি ৭৫ লাখ; ৩১৭ দশমিক ৩৬ বর্গমিটার রিসেপশন একতলার নির্মান ব্যয় ৩ কোটি ৮৪ লাখ এবং ৬২ দশমিক ৭০ বর্গমিটার তিনটি গার্ডরুমের নির্মাণ ব্যয় ৩৫ লাখ টাকা। সাব-স্টেশন, পানি বিশুদ্ধকরণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ১ হাজার ৪৩৪ বর্গমিটার একতলা ভবনের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৮৬ লাখ, সাব-স্টেশন ইক্যুইপমেন্ট ১১টি ৩৭ কোটি। অভ্যন্তরীণ ৬৯ হাজার ১৪১ দশমিক ২৯ বর্গমিটার আর সিসি রাস্তার ব্যয় ৪৩ কোটি ২৭ লাখ, আরসিসি ড্রেন ও ওপ-রোনের ব্যয় ৪ কোটি ৬৭ লাখ; ২ হাজার ৪৬৫ দশমিক ১৪ মিটার সীমানা প্রাচীর ২৫ কোটি ২২ লাখ, ফাউন্টেন ১ কোটি; ১৫ হাজার ৫৯০ দশমিক ৬০ বর্গমিটার ফুটপথ ৮ কোটি ৪৪ লাখ; তিন ৩৫৬ দশমিক ১ বর্গমিটার দুটি সুইমিংপুল ২৭ কোটি ৩৫ লাখ; সারফেস কার পার্কিং ২ কোটি ৭৭ লাখ, ১,৩৩৭.৭৯ বর্গমিটার দুটি টেনিস কোর্ট প্রায় ২ কোটি; ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন মাঠ ১ কোটি ৮ লাখ; জিমনেশিয়াম ইক্যুইপমেন্ট ৬৬ লাখ; ১০,১১৭.৬ বর্গমিটার পিটি গ্রাউন্ড ৩.৫ কোটি; পার্কের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৫ কোটি; স্বাধীনতা মনুমেন্ট ও শহীদ মিনার ২.৫ কোটি; এম্পিথিয়েটার আন্ডারগ্রাউন্ড প্যাসেজ ২ কোটি; ৭২৪ বর্গমিটার দুটি রিভারভিউ ডেক ৫৪ লাখ; ৬৯.৬৮ বর্গমিটার একটি জেটি ১ কোটি ২৯ লাখ; ৭২৯ বর্গমিটার স্টাফ ক্যাফেটেরিয়া দেড় কোটি; ১০টি নিরাপত্তা চৌকি ১ কোটি ২০ লাখ; ১,৩৭৮,১৬৯ ঘনমিটার ভূমি উন্নয়নের ব্যয় ৯৩ কোটি ৪১ লাখ। কার্টেন ওয়াল, টেম্পার্ড গ্লাস, ফেয়ার ফেস, ফলস সিলিং ওয়াল ও কিচেন কেবিনেটের ব্যয় ৬২ কোটি ৬১ লাখ; বক্স কালভার্ট ও পাইপলাইন দুটি ১.৫ কোটি; গ্যাস লাইনের ব্যয় ৮.৫ কোটি। মসজিদের ৪৫টি লিফট ও একটি চলমান লিফটের ব্যয় ৯১ কোটি ৯৩ লাখ; ইমারজেন্সি ১৮টি জেনারেটর এটিএস ও ক্যানোপি ১২ কোটি ৭৯ লাখ; ২,৫৫৫টি স্প্লিট টাইপ এয়ার কুলারের ব্যয় ২৫ কোটি ৩০ লাখ; অগ্নিনির্বাপক কাজ ১০ কোটি; ৯টি বর্জ্য নিধোরক প্রায় দেড় কোটি; ৪৭২টি সিসিটিভি ১ কোটি ৮৮ লাখ, কম্পাউন্ড সিকিউরিটি লাইট ৯২৭টি প্রায় ২ কোটি; ক্লাসরুম, ল্যাব ও গ্যালারির মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ ২ কোটি ৭৭ লাখ; পিএস সিস্টেমের ব্যয় ১ কোটি ৫৮ লাখ; দুই হলের লাইটিং ও সাউন্ড সিস্টেম ১ কোটি ৭৬ লাখ; ১১ কেভি এক্সপেস লাইন ৪ কোটি ১৩ লাখ। অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের মধ্যে আসবাব ৫০ কোটি টাকা; শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ উপকরণ ৫ কোটি; চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ১০ কোটি; কম্পিউটার, ইউপিএস ও প্রিন্টার ৫ কোটি; একাডেমির নিজস্ব ব্যবহারের জন্য ১৪টি গাড়ি ১৪.৫ কোটি এবং আড়াই কোটি টাকায় বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হবে।
প্রকল্পটি প্রসঙ্গে সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার কালবেলাকে বলেন, প্রকল্প নেওয়ার আগে কতটা বাস্তবভিত্তিক তা দেখা উচিত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় বেশি ধরা হয়েছে এবং তাতে মনে হচ্ছে বিলাসী প্রকল্প। তাই আরও বেশি যাচাই-বাছাই করা দরকার। কারণ রাষ্ট্রের আরও অনেক প্রকল্প আছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। প্রকল্পটি এখনো পাস না হওয়ায় কাটছাঁট করার সুযোগ রয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, প্রকল্প নেওয়া হয়েছে ঠিকই; কিন্তু আমি ভালোভাবে কিছুই জানি না। প্রকল্পের অর্থের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানা নেই।
মন্তব্য করুন