

ঢাকা-৪ আসনের (শ্যামপুর-কদমতলী) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, বিএনপি শুধু কথা দিয়ে নয়, অতীতে যেমন বারংবার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, এবারও তাই করবে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব মানুষ খুব দ্রুতই বুঝবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে অঙ্গীকার দেশবাসীর কাছে করেছেন, তা পূরণ করবেন ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন,
রবিন বলেন, পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য বিএনপির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম ফ্যামিলি কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে নারীরা নিরাপত্তা পাবে এবং স্বাবলম্বী হয়ে পরিবার ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নারীরা জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হন, কিন্তু সঠিক মূল্যায়ন ও নিরাপত্তা প্রায়ই নিশ্চিত হয় না। অর্থনৈতিক কারণে অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হন। এই কারণে ফ্যামিলি কার্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নারীরা পরিবারে সুবিধা অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করতে পারবেন এবং নির্যাতন কমবে।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্যও বিএনপির পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে রবিন বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ছেলে-মেয়েদের জন্য আনন্দময় পড়াশুনার পরিবেশ, পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি ও বেকারত্ব দূরীকরণ, দূষণমুক্ত পরিবেশ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইত্যাদি রয়েছে। তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ দেশের জন্য সময়োপযোগী এবং জনগণের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
কর্মজীবী নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় তিনি নিন্দা জানিয়ে বলেন, আমাদের নারীরা কখনো প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যান না। তাদের পতিতাবৃত্তির সঙ্গে তুলনা করা জঘন্যতম মানসিকতার পরিচয়। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যেমন মা-বোনেরা নির্যাতনের শিকার হননি, স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দাঁড়িয়েও তাদের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ। আগামী নির্বাচনে দেশবাসী তাদের প্রতিহত করবেন।
রবিন আরও বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত ঢাকা-৪ গড়ার জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমাদের এলাকায় বেড়ে চলা মাদক, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। যারা অপরাধে জড়িত, তাদের সতর্ক করা হলো—অচিরেই ঘরে ফিরে যান, অন্যথায় অভিযান চলবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আমি এই মাটিতেই জন্মেছি, এই মাটিতেই বড় হয়েছি। তাই এই এলাকার প্রতি আমার দায়বদ্ধতা রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন এবং এলাকার সকলকে উদ্বুদ্ধ করুন।
মন্তব্য করুন