কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ক্ষোভ থেকে বার ড্যান্সার সাদিয়া হত্যাকাণ্ড

গুলশান থানায় হত্যা মামলা
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র ক্ষোভ থেকেই বারের ড্যান্সার সাদিয়া রহমান মীমকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহত এ তরুণীর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নগুলো দেখে এমনটি ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও দুদিন পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসায় ঘটা এ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন বা হত্যাকারীকে শনাক্ত করা হয়নি। নিহতের রুমমেটসহ ছয়জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গতকাল সোমবার গুলশান থানার এসআই মারুফ আহমেদ কালবেলাকে বলেন, গত শনিবার রাতে খবর পেয়ে নিহত মিমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় নিহত মিমের বড় বোন শাহিদা আক্তার বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নিহত মীমের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। নাভির ওপর থেকে মুখমণ্ডল পর্যন্ত বিশটির বেশি চিহ্ন রয়েছে। বাসায় থাকা ফল কাটা চাকু দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

পুলিশের হাতে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নিহতের রুমমেট নুসরাত, তার বন্ধু লিজা, রাব্বি ও মুরাদ। বাকি দুজনের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।’

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান কালবেলাকে বলেন, ‘সাদিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মোটিফ দেখে মনে হয়েছে, তার ওপর কেউ ক্ষুব্ধ ছিলেন। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

নিহত মিমের বড় বোন শাহিদা আক্তার বলেন, ‘কারা-কীসের জন্য আমার বোনকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানতে পারিনি। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মামলা করেছি। আমার বোনের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল বলে কখনো শুনিনি।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমার নদে ভাসছিল যুবদল নেতার মরদেহ

চেক ডিজঅনার মামলায় ইভ্যালির রাসেল-শামীমা কারাগারে

দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে হামলাকারী নিহত

ঢাবির কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্য তহবিলের মুনাফার হার নির্ধারণ

খামেনিকে বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করলেন ইরানের নির্বাসিত নেতা

এবার ম্যাচ বয়কটের হুমকি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা

জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

১০

অর্ধশতাধিক আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, কারণ জানাল খেলাফত মজলিস 

১১

মোটরসাইকেলে ভারতীয় সেনাদের ব্যতিক্রমী কসরত

১২

আগামী দিনে জাতির নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান : মান্নান

১৩

এবার ভারত মহাসাগরে বিতর্কিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জে নজর ট্রাম্পের

১৪

চেতনানাশক মিশ্রিত জুস খাইয়ে লুট, গ্রেপ্তার ৫

১৫

এভাবেই তো নায়ক হতে হয়!

১৬

জঙ্গল সলিমপুরে শিগগিরই অভিযান : র‍্যাব ডিজি

১৭

সমর্থকরা আটকে রাখলেন প্রার্থীকে, ভিডিও কলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার

১৮

জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন : উপদেষ্টা রিজওয়ানা

১৯

ইইউ প্রতিনিধিদের সঙ্গে জমিয়তের বৈঠক

২০
X