কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৫, ০৫:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের ‘কফিন মিছিল’

বিসিএমআইএর ব্যানারে প্রতীকী কফিন নিয়ে মিছিল। ছবি : কালবেলা
বিসিএমআইএর ব্যানারে প্রতীকী কফিন নিয়ে মিছিল। ছবি : কালবেলা

পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে টানা ধস, অব্যবস্থাপনা এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এবার চরম প্রতীকী প্রতিবাদে নেমেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের অপসারণের দাবিতে রোববার (১৮ মে) প্রতীকী কফিন নিয়ে মিছিল করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) ব্যানারে এই মিছিল করা হয়েছে।

এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে প্রতীকী কফিন নিয়ে মিছিল করেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা। এর আগে গত ৮ মে রাশেদ মাকসুদের অপসারণের দাবিতে ‘কাফন মিছিল’ করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের দাবি, পুঁজিবাজারে প্রতিদিন যেভাবে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এভাবে চলতে থাকলে পুঁজিবাজার নামের খাতটি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। এ খাতের সংশ্লিষ্টরা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছেন অনেকে।

মিছিলে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের অপসারণের দাবিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগকারীদের এখন মূল দাবি মাকসুদের পদত্যাগ। যার পদত্যাগেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের।

বিনিয়োগকারীরা বলেন, মাকসুদ পুঁজিবাজার বোঝেন না। এটা শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কথা না। এ কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদকে অপসারণ করা উচিত।

মিছিলে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের শত্রু হিসেবে অর্থ উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও আবু আহমেদকে দায়ী করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পূর্বাচলকে ঢাকায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত, নিকার সভায় অনুমোদন

সংগীতাঙ্গন মাতানো মুগ্ধ এখন ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট’ হওয়ার অপেক্ষায়

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ

বিশ্বকাপের আয়োজক দেশে নৌকা ডুবি, ৬ জনের মৃত্যুর শঙ্কা

পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

সিলেটে হামে এক শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৭৪

সীমান্তে পিলারের পাশে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ

বাবার সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল কুশল, পথে বাসচাপায় প্রাণ গেল

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: ১১ বছর পর প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

ক্রিপ্টো থেকে ট্রাম্পের এক বছরে আয় শত কোটি ডলার

১০

‘ব্যাংক হলিডে’ আজ, বন্ধ লেনদেন

১১

মিলে গেল ম্যারাডোনার ৮ বছর পুরোনো সেই ভবিষ্যদ্বাণী

১২

ইসরায়েলকে সহায়তা কমানোর প্রস্তাবে বিভক্ত মার্কিন ডেমোক্র্যাটরা

১৩

ব্রাজিলের ম্যাচে সিগারেট খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে ছাত্রদল ও ছাত্রশক্তির নেতা আহত

১৪

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ডাকাত বাচ্চু সরদার

১৫

এক স্কুলের ৪ ছাত্রী নিখোঁজ

১৬

বাড়ছে পুলিশের উপস্থিতি  / পূর্বাচলে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত

১৭

নবম পে-স্কেল কার্যকর / সরকারি চাকরিতে ১১-২০তম গ্রেডে বাড়ছে ১৩৫ শতাংশ বেতন

১৮

জুলাই থেকে ফেরা, তবে ঘরে ফেরা নয়!

১৯

জুলাই আন্দোলনের দুই বছর / কোটা সংস্কারের দাবি থেকে ইতিহাস বদলের যাত্রা

২০
X