ফেনীতে ছুরিকাঘাতে আলমগীর হোসেন সোহাগ (৪৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার পশ্চিম ফাজিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফাজিলপুর রাজনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক নুরুজ্জামান এরশাদকে ফেনী ছাগলনাইয়ার পাঠান নগর থেকে আটক করে পুলিশ।
নিহত আলমগীর হোসেন সোহাগ উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ঘাতক এরশাদ একটি মামলায় কারাগারে আটক থাকার পর পাঁচ দিন আগে জামিনে বের হয়ে আসেন। পূর্বশত্রুতার জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সোহাগকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন এরশাদ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সোহাগের স্ত্রী শারমিন আক্তার জানান, স্থানীয় এরশাদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে আমার স্বামীর সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা ও কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে এরশাদ আকস্মিক ছুরিকাঘাত করে আমার স্বামীকে হত্যা করে। এরশাদ কয়েকদিন আগেই কারাগার থেকে বের হয়েছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. রুহুল মহসিন বলেন, ‘নিহত সোহাগের বুকে পাঁচটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আরিফুল আলম সিদ্দিকী কালবেলাকে জানান, এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত এরশাদকে ছাগলনাইয়া থেকে আটক করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন