

১০ কোটি নয়, ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েও আমাকে কিনতে পারবেন না— বলে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. সারওয়ার আলম।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ চ্যালেঞ্জ দেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে— আমাকে ১০ কোটি টাকা দিয়ে কোনো এক প্রার্থী কিনে নিয়েছেন। এ নিয়ে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আমি স্পষ্ট বলতে চাই— ১০ কোটি নয়, এক টাকা আমাকে কেউ ঘুষ দিয়েছেন এমন প্রমাণ দিতে পারলে যে কোনো শাস্তি আমি মেনে নেব।
তিনি বলেন, ১০ কোটি নয়, ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েও আমাকে কেউ কিনতে পারবেন না এটা বিশ্বাস রাখতে পারেন।
তিনি বলেন, এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের পর এ ধরনের কথাবার্তা হচ্ছে। আমাদের সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে— কী কী কারণে দ্বৈত নাগরিকরা প্রার্থী হতে পারবেন না। দ্বৈত নাগরিক তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে এমএ মালিক সাহেব পরদিন তার সলিসিটর ফার্মের মাধ্যম থেকে নাগরিকত্ব ছেড়ে দেওয়ার প্রমাণপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু এশতেহাম হক কোনো প্রমাণপত্র জমা দেননি। তাই তারটা বাতিল হয়েছে। এখানে পক্ষপাতিত্বের কোনো আবকাশ নেই। তবুও আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আপিল করলে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া জমা দেওয়া দ্বৈত নাগরিকত্ব সারেন্ডারের কাগজপত্র যাচাই করা হবে। যদি প্রার্থী নির্বাচিত হয়েও যান আর যুক্তরাজ্যের হোম অফিস থেকে আমরা সত্যতা না পাই। তাহলে তার এমপি পদও চলে যাবে।
মন্তব্য করুন