

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের মৌলিক অধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। সেইদিন আন্দোলনে সামনের সারিতে পাশে থাকা একজন ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেছে। হয়তো সেদিন মহান রাব্বুল আলামিনের দয়ায় জীবনের প্রথম ধাপে বেঁচে ফিরে ছিলাম। এখন জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় চলছে, মৃত্যুকে আর ভয় করি না।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাদ জুমা পঞ্চগড় বকুল তলা মাঠে 'জেলা জাগপার সহসভাপতি মরহুম মফিজুল ইসলাম মফির রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, আমি পঞ্চগড়ের মানুষদের কথা দিয়ে যেতে চাই। বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে আমাকে ডাকলে নাও পেতে পারেন। পঞ্চগড়বাসীর সকল সংকটে আমি আপনাদের পাশে থাকব। প্রয়োজন হলে মজলুম মানুষের পাশে থাকার জন্য আমাকে ডাকবেন, আমি আপনাদের পাশে থাকব। মরহুম মফিজুল ইসলাম মফির স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, মরহুম মফি ভাইকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাকে মানসিকভাবে হত্যা করা হয়েছে। অবিলম্বে মফিজুল ইসলাম মফি ভাইয়ের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে। পঞ্চগড়ের আওয়ামী প্রশাসন বিগত সতের বছর জাগপা নেতাকর্মীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। এখনো প্রশাসনের ভেতরে ফ্যাসিবাদী চরিত্র কাজ করছে। যার কারণে আজকে জাগপা নেতা মফিজুল ইসলাম মফিকে আমরা হারিয়েছি।
পঞ্চগড় জেলা জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন- পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মীর মোরশেদ তুহিন, জেলা জাগপার সহসভাপতি শামসুজ্জামান নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু হাসান মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের রাশেদীন, বোদা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাস্টার, জেলা যুব জাগপার সভাপতি কামরুজ্জামান কুয়েত, জেলা জাগপা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন